কক্সবাজার, ময়মনসিংহ ও হবিগঞ্জে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গাসহ ছয় জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন ডাকাত আছে বলে জানা গেছে। ইত্তেফাকের সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।
কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ায় পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গাসহ তিন জন নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোররাতের পৃথক সময়ে এসব বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থল হতে তিনটি দেশীয় তৈরি বন্দুক, চার রাউন্ড তাজা ও দুই রাউন্ড খালি কার্তুজ, ২৩ হাজার পিস ইয়াবা ও দুইটি কিরিচ জব্দ করা হয়। নিহতরা হচ্ছে—কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং ক্যাম্প-৭ ব্লক-ই-১ এর আশ্রিত রোহিঙ্গা মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. আইয়ুব (২২), কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্প-২ এর মৃত হায়দার শরীফের ছেলে নুরুল ইসলাম (২৭) এবং টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং নয়াবাজারের জলিল আহমদের ছেলে দেলোয়ার হোছেন (৩০)। নিহতরা ইয়াবা কারবারি বলে দাবি করেছেন বিজিবি কর্মকর্তারা।
অন্যদিকে, হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মৌলভীবাজার কুলাউড়ার সোলেমান মিয়া (৩০) নামের এক ডাকাত নিহত হয়েছে। রবিবার দিনগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার ডেউয়াতলী কালিনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ডাকাত মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া এলাকার বাসিন্দা। চুনারুঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রাতে কালিনগর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাকাত দল। গোপন সুত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালালে পুলিশের সঙ্গে তাদের গোলাগুলি হয়। এ সময় এক ডাকাতসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। আহত ডাকাতকে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পৃথক ঘটনায় ময়মনসিংহ সদর চরপুলিয়ামারি এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ক্রসফায়ারে নগরীর ছিনতাইকারী ও মাদক ব্যবসায়ী জনি নিহত হয়েছেন। নিহত মাদক ব্যবসায়ী পাটগুদামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাদক ও গুলি উদ্ধার করেছে। অপরদিকে ফুলবাড়িয়ায় গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জহিরুল নিহত হয়েছে। নিহত জহিরুল ইসলাম (২০) ফুলবাড়িয়ার কৈয়ারচালা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে।
