পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বললেন ডিএসসিসি প্রশাসক

‘আপনারা কষ্টের কাজ করেন, প্রধানমন্ত্রীর নজরে পড়েছেন’

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০২৬, ১৭:৪৮

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেছেন, ঢাকা শহরটাকে আমরা বসবাসযোগ্য রাখতে চাই। আপনারা কষ্টের কাজ করেন আর তার জন্যই প্রথমে আপনারাই প্রধানমন্ত্রীর নজরে পড়েছেন। এবারে বোনাস দেওয়ার মতো টাকা আমাদের ছিল না তাও আমরা দিয়েছি।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে কর্মরত পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ শেষে এসব কথা বলেন ডিএসসিসির প্রশাসক।

পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কাজের প্রশংসা করে মো. আব্দুস সালাম বলেন, তাদের দায়িত্বশীল কাজের কারণে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত খুশি হয়েছেন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সন্তুষ্ট হয়ে প্রধানমন্ত্রী তার নিজস্ব তহবিল থেকে কর্মীদের জন্য বিশেষ পুরস্কার দিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে বিরল।

তিনি জানান, এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদ উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য বিশেষ পুরস্কার দিয়েছেন এবং এ জন্য তিনি সবার কাছে তার জন্য দোয়া কামনা করেন।

তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মচারি হিসেবে টাই কোট পরা যারা আছেন, কাজ করেন না তাদের খুঁজে বের করা হবে। যারা কাজ করে না তাদের দরকার নেই।

এদিন সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

পরে ডিএসসিসি প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী মহানগর (ঢাকা) নিয়ে খুবই সিরিয়াস। তিনি সবসময় ওনার নলেজে রাখতে চান যে আমরা কী কাজ করছি, কোথায় কী কাজ বাকি আছে এবং কোথায় কী কাজ করতে হবে। সেই ব্যাপারে আপনারা তো শুনেছেন যে উনি এরই মধ্যে আমাদের দুজনকে মহানগরের দায়িত্ব দেওয়ার পর আগে যে শহরের অবস্থা ছিল, তার চেয়ে তো কিছুটা হলেও উন্নতি হয়েছে, বিশেষ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়। সেই কারণে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো সরকারপ্রধান এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দিন-রাত যারা কাজ করে, তাদের জন্য ঈদের উপহার দিয়েছেন, বোনাস দিয়েছেন। সেটা আমরা আজ দিয়েছি। কর্মচারীরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়েছেন, ধন্যবাদটা আমরা ওনাকে পৌঁছে দিয়েছি।

ইত্তেফাক/এমএস