রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় রাকিবুল ইসলাম হত্যার ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তলসহ পাঁচ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এক হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় এ তথ্য জানান। এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
এর আগে, গত রোববার রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে রাকিবুল নিহত হন।
জানা যায়, রাকিবুলের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলায়। তার বাবা তারিকুল ইসলাম খোকন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের কর্মচারী। রাকিবুল রাজধানীর বোরহানুদ্দীন পোস্টগ্র্যাজুয়েট কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ১৫ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহীদ মিনার এলাকায় রাকিব হাসানের ওপর হামলা চালায় কয়েকজন দুর্বৃত্তরা। প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। পরে গুলি করে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ সময় আশপাশের লোকজন ধাওয়া করে ঘটনাস্থল থেকে শিহাব উদ্দিন নামের এক তরুণকে আটক করে। পরে তাকে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহত রাকিবের সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রাকিবের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ডান পাশে বগলের নিচে প্রায় সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি এবং তার নিচে প্রায় সাত ইঞ্চি গভীর ক্ষত পাওয়া গেছে। এছাড়া পেটের ডান পাশে প্রায় পাঁচ ইঞ্চি এবং বাম পাশে আড়াই ইঞ্চি কোপের দাগসহ শরীরের অন্তত পাঁচটি স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পাশাপাশি পেটের বাম পাশে ও পিঠে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে

