কুমি-ল্লা৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে নিয়মের বেড়াজাল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, আজকে আপনার যে ধরনের অনুভূতি হচ্ছে, আমারও একই ধরনের অনুভূতি হচ্ছে। কারণ, নিয়মের বেড়াজালে আপনাকে যেমন কখনো কখনো আটকে দেওয়া হয়, আমাকেও তেমনি আটকে দেওয়া হয়।’
রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে যোগ দিয়ে হাসনাত এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আসলে নিয়ম সবসময় শাসকদের অনুসারী হয়ে চলে। যখন তা অনুকূলে থাকে, তখন তাকে নিয়ম বলা হয়; আর যখন বিপক্ষে যায়, তখন সেটাকে কাস্টম বলা হয়। কোনটা সাংবিধানিক আর কোনটা অসাংবিধানিক— এই মারপ্যাঁচে সংসদ আজ ঘুরপাক খাচ্ছে।’
সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘দেবীদ্বারের মানুষ আমার ওপর আস্থা রেখে ১ লাখ ৭২ হাজার ভোট দিয়ে আমাকে এই সংসদে পাঠিয়েছেন। তাদের পক্ষ থেকে আমি এক মিনিট ১৮ সেকেন্ড কথা বলছি। আমার দেবীদ্বার থেকে চান্দিনা পর্যন্ত একটি সড়ক রয়েছে, যেটি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ মানুষের যাতায়াত হয়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, এই সড়কটির প্রস্থ মাত্র ১২ ফুট। ফলে দুটি সিএনজি গাড়ি একসঙ্গে ক্রস করতেও সমস্যায় পড়ে। সড়কটি আমাদের এলাকার ১১টি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে গেছে।’
সংসদ সদস্য আরও বলেন, ‘এই সড়কটি যদি আমরা প্রশস্ত করতে পারি, তাহলে ওই ইউনিয়নগুলোতে শিল্প কারখানা, কোল্ড স্টোরেজসহ বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া, এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। সড়কটি উন্নত করা গেলে কুমিল্লা, ঢাকা ও সিলেটের মধ্যে যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার কমে আসবে।’
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘সার্বিক দিক বিবেচনায়, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের স্বার্থে দেবীদ্বার থেকে চান্দিনা পর্যন্ত এই ১২ ফুট প্রস্থের সড়কটি প্রশস্ত করে হাইওয়েতে রূপান্তরের জন্য আমি আপনার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।’
