ব্যাংক খাতে রাজনৈতিক প্রভাব বন্ধে কঠোর অবস্থানে গভর্নর

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৫৮

ব্যাংক খাতে রাজনৈতিক প্রভাব বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে কোনোভাবেই ব্যাংকিং ব্যবস্থায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ সহ্য করা হবে না। একই সঙ্গে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে ১০টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বুধবার (১ এপ্রিল) মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে দেশের অর্থনীতিতে সৃষ্ট ও সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা নিয়ে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন গভর্নর।

সভায় জ্বালানি সংকট, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, নীতি সহায়তা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে করণীয় নানা বিষয় গুরুত্ব পায়। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও প্রবাসী আয়ের ওপর চাপ তৈরি হওয়ায় সরকার উদ্বেগে রয়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসেবে এবার ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসেন গভর্নর।

তিনি জানান, বৈদেশিক ঋণের সহায়তায় ব্যয় মেটানোর পাশাপাশি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা (সিএসএমই) খাতে কর্মসংস্থান বাড়ানো এবং রিজার্ভ ধরে রেখে আমদানি চাপ সামাল দিতে কৃষিখাতে জোর দেওয়া হচ্ছে।

দীর্ঘ প্রায় দেড় ঘণ্টার আলোচনায় ব্যাংক খাতে আস্থার সংকটের বিষয়টি উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, দেশের সম্পদ লুট করে কেউ বিদেশে ভোগবিলাস করবে—এটি আর হতে দেওয়া হবে না। এ লক্ষ্যে চুরি হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

এছাড়া ৫টি ব্যাংক ও ১০টি নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতকারীদের অর্থ দ্রুত ফেরত দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।

 

ইত্তেফাক/এমএএম