ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একই দিনে ঝরলো ৭ প্রাণ

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ২০:৫৩

কুমিল্লায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় একই দিনে সাতজন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪ জন।

বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জেলার চৌদ্দগ্রাম, দাউদকান্দি, চান্দিনা ও বুড়িচং উপজেলা এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোরে মহাসড়কের জেলার দাউদকান্দি উপজেলার কানড়া এলাকায় অজ্ঞাত একটি গাড়ির চাপায় দুই অটোরিকশা চালক নিহত হন। এতে নিহতরা হলেন, ওই উপজেলার সরকারপুর গ্রামের মো. আবদুল বারেক (৪২) ও এই এলাকার মো. মোস্তফা (৪০)। তারা পেশায় অটোরিকশার চালক ছিলেন। এই দুর্ঘটনায় আহত ৪ জন হলেন, নবীর হোসেন (৩৮), কাওসার (৪০), ইসমাইল (৩৭) ও সাগর মিয়া (৩৫)।

এদিন ভোরে জেলার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজারসংলগ্ন ইউটার্নে আরেকটি দুর্ঘটনায় দুই যুবকের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার লালপুর গ্রামের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ওরফে মইন (২৭) ও মেহেরপুর সদর উপজেলার কেশবপুর গ্রামের মো. সোহেল রানা (৩৫)।

একই দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জেলার চান্দিনা উপজেলার কাঠেরপুল এলাকায় সড়ক পারাপারের সময় লরির চাপায় নিহত হয় নবম শ্রেণির ছাত্র ইবনে তাইম। সে চান্দিনা পৌরসভার রাড়িরচর এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে এবং বড় গোবিন্দপুর আলী মিয়া ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয়রা জানায়, কোচিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে ইউটার্নে রাস্তা পারাপারের সময় চট্টগ্রামগামী একটি লরি তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এলাকাবাসী লরিটি আটক করে।

তাছাড়া দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মহাসড়কের জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সদর এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় ওই উপজেলার রামচন্দ্রপুর এলাকার হাজেরা বেগম (৬৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। একই দিন ভোরে ওই উপজেলার বাতিশা এলাকায় ওমর ফারুক (৪৮) নামে একজন নিহত হয়েছেন এবং তার বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগের কাবিলপুর গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ তাদের স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

ইত্তেফাক/এপি