সাত সাবেক কাস্টম কর্মকর্তাসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে ১৮ মামলা

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৯, ০০:১৫

মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানি, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে বন্দর থেকে পণ্য খালাস করে প্রায় পৌনে ৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রামের সাবেক সাত কাস্টম কর্মকর্তাসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে-১ এ মামলাগুলো করা হয়। মামলাগুলোয় বাদী হয়েছেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফরোজা হক খান ও শেখ গোলাম মাওলা এবং উপসহকারী পরিচালক মো. সহিদুর রহমান। এ মামলাগুলোয় চট্টগ্রাম কাস্টমসের সাবেক সাত কর্মকর্তা ছাড়া আরো ১৪ আমদানিকারক ও চার জন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের সাবেক কর্মকর্তা প্রাণবন্ধু বিকাশ পাল, শফিউল আলম, হুমায়ুন কবির, সাইফুর রহমান, মোহাম্মদ সফিউল আলম, নিজামুল হক ও সৈয়দ হুমায়ুন আখতার। আর আমদানিকারক আসামিরা হলেন, আবুল হাসনাত, এম এ আলীম, মমিনুল ইসলাম, নুরুল আলম, মুসা ভূঁইয়া, ফোরকান আহমেদ, জ্যোতির্ময় সাহা, ফাহাদ আবেদীন সোহান, জহুরুল ইসলাম, সাহিদুর রহমান, আইনুল হক, মোহাম্মদ কাসিফ ফোরকান, রুবেল আহমেদ ও জহিরুল ইসলাম। এছাড়া সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আসামিরা হলেন, মোহাম্মদ হারুন শাহ, মইনুল আলম চৌধুরী, মির্জা মো. আহসানুজ্জামান ও সাইফুল ইসলাম।

দুদক সূত্র জানায়, আসামিরা ২০১০ ও ২০১১ সালে পরস্পর যোগসাজসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারের দুই কোটি ৬৬ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৮ টাকা আত্মসাত্ করেছেন। কাস্টম কর্মকর্তাদের মধ্যে শফিউলকে পাঁচটি মামলায়, প্রাণবন্ধু বিকাশ পালকে চারটি, হুমায়ুনকে তিনটি, সাইফুরকে দুটি, নিজামুলকে দুটি, সফিউলকে একটি ও হুমায়ুনকে একটি মামলায় আসামি করা হয়েছে। আর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের মধ্যে হারুনকে সাতটি, আহসানুজ্জামানকে ছয়টি, মইনুলকে চারটি এবং সাইফুলকে একটি মামলায় আসামি করা হয়। আর আমদানিকারকদের মধ্যে ফোরকান, জ্যেতির্ময়, সাহিদুর ও কাসিফকে দুটি মামলায় আসামি করা হয়। এছাড়া বাকি আমদানিকারক প্রত্যেককে একটি করে মামলায় আসামি করা হয়েছে।