শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশের নাম হলো ধ্বনি
বাংলা
মো. সুজাউদ দৌলা. সহকারি অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা
ধ্বনি
বই = ব্ + ই
লক্ষ কর, ‘বই’ একটি শব্দ। শব্দটিকে ভাগ করলে আমরা ‘ব’ এবং ‘ই’-এ দুটি বর্ণ পাই। আরও ভাগ করলে পাই ব, অ এবং ই-এই তিনটি ধ্বনি। ‘বই’ শব্দটি উচ্চারণের সময় এ ধ্বনিগুলো আমাদের কণ্ঠ থেকে বেরিয়ে আসে। এগুলো হচ্ছে ‘বই’ শব্দের ুক্ষুদ্রতম একক। অর্থাত্ এরপর শব্দটিকে আর কোনো ুক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায় না।
শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশের নাম হলো ধ্বনি।
কথা বলার জন্য বা যে কোনো কিছু উচ্চারণের জন্য আমরা আমাদের কিছু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সাহায্য নিই। যেমন— কণ্ঠনালি, মুখগহ্বর, দাঁত, ঠোঁট, নাক, জিহ্বা ইত্যাদি। এই সবগুলোকে একসাথে বলা হয় বাগযন্ত্র। বাগযন্ত্রের সাহায্যে নানা রকম ধ্বনি তৈরি হয়। আমাদের উচ্চারিত আওয়াজগুলো বাগযন্ত্রে বাধা না পেলে সৃষ্টি হয় এক রকম ধ্বনি, আর বাধা পেলে সৃষ্টি হয় আরেক রকমের ধ্বনি।
১। ধ্বনি দুই প্রকার— স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি।
তোমরা ‘আ’ এবং ‘প’ ধ্বনি দুটো উচ্চারণ কর। দেখবে ‘আ’ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে আসা বাতাস বাগযন্ত্রের কোথাও বাধা পাচ্ছে না। আবার লক্ষ কর, এই ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় এর
সাথে অন্য কোনো ধ্বনি উচ্চারিত হচ্ছে না। অর্থাত্ এই ধ্বনিটি অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই উচ্চারিত হতে পারে। এ ধরনের ধ্বনিকে বলা হয় স্বরধ্বনি।
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে বের হওয়া বাতাস বাগযন্ত্রের কোথাও বাধা পায় না এবং উচ্চারণের সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য প্রয়োজন হয় না সেগুলোকে স্বরধ্বনি বলে।
উদাহরণ : অ, আ, ই, ঈ ইত্যাদি।
আবার লক্ষ কর, ‘প’ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাস বাধা পাচ্ছে। বাতাস এসে দুই ঠোঁটে আটকে যাচ্ছে। আরেকটি বিষয় লক্ষ কর, প = প্ + অ। ‘প’ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় আমাদেরকে ‘অ’ ধ্বনিটিও উচ্চারণ করতে হচ্ছে। অর্থাত্ উচ্চারণের ক্ষেত্রে অন্য একটি স্বরধ্বনির সাহায্য লাগছে। এ ধরনের ধ্বনির নাম হচ্ছে ব্যঞ্জনধ্বনি।
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে বের হওয়া বাতাস কোথাও না কোথাও বাধা পায় এবং উচ্চারণে স্বরধ্বনির সাহায্য প্রয়োজন হয়, সেগুলোকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে। উদাহরণ : ক, ঘ, চ, প ইত্যাদি।
পদার্থের দশা পরিবর্তনের ২টি নিয়ামকের নাম লেখ।
হিমন এডওয়ার্ড গমেজ, সিনিয়র শিক্ষক
সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
১. নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর সংক্ষেপে উত্তরপত্রে লেখ ।
(ক) পানিতে বাস করে এমন দুটি উদ্ভিদের নাম লেখ।
(খ) মাটি দূষণের দুটি কারণ লেখ।
(গ) পানির উত্স কয়টি ও কী কী?
(ঘ) দুটি পানিবাহিত রোগের নাম লেখ।
(ঙ) নাইট্রোজেনের ২টি ব্যবহার লেখ।
(চ) তুমি জান যে, পদার্থ এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় পরিবর্তিত হয়। পদার্থের দশা পরিবর্তনের ২টি নিয়ামকের নাম লেখ।
(ছ) তেল ও চর্বি খাদ্য দলের ৩টি খাদ্য নমুনার উদাহরণ দাও।
(জ) সংক্রামক রোগ থেকে আমরা কীভাবে সুস্থ থাকতে পারি?
(ঝ) দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে রাকিব রাতের আকাশে নক্ষত্র দেখে। এ যন্ত্র বিজ্ঞানীরা কী কাজে ব্যবহার করেন?
(ঞ) রাসায়নিক সার ও কীটনাশক অধিক উত্পাদনে সাহায্য করে। এর ক্ষতিকর দিক কী?
(ট) ইন্টারনেটে তথ্য আদান প্রদানের অনেক পদ্ধতি আছে। এ ধরনের ১টি পদ্ধতির নাম লেখ।
(ঠ) তাপদাহ কী? খরার কারণ কী?
(ড) দুটি গ্রিন হাউজ গ্যাসের নাম লেখ।
(ঢ) মানবসৃষ্ট সম্পদ কী? মানবসৃষ্ট সম্পদ কোথা থেকে আসে?
(ণ) কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয় কেন?
২. সঠিক শব্দ দিয়ে শূন্যস্থানপূরণ করে উত্তর পত্রে লেখ (যে কোনো বারটি) :
(ক) উদ্ভিদ খাদ্য তৈরিতে - ব্যবহার করে।
(খ) মাটি দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব, জমির - নষ্ট।
(গ) পানির প্রাকৃতিক উত্স -।
(ঘ) ডুবুরিরা সিলিন্ডারে - গ্যাস নিয়ে যান।
(ঙ) বিদ্যুত্ চমকানোর পেছনে - কাজ করছে।
(চ) অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে - সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
(ছ) নাক দিয়ে পানি পড়া - লক্ষণ।
(জ) পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব - কি.মি.।
(ঝ) কৃষিকাজে ব্যবহূত রাসায়নিক সার - প্রযুক্তির অন্তর্ভূক্ত।
(ঞ) আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে - গুরুত্ব অপরিসীম।
(ট) সমুদ্রের ওপরের বায়ু - হয়।
(ঠ) জলবায়ু - পরিবর্তিত হয়।
(ড) অনবায়নযোগ্য শক্তির উত্স -।
(ঢ) প্রতি দশ বছর পর হয় -।
৩. বাম পাশের বাক্যাংশের সাথে ডান পাশের বাক্যাংশের মিল করে উত্তরপত্রে লেখ :
বামপাশ
ডানপাশ
(ক) সংক্রামক রোগ জীবাণুর
(খ) সংক্রামকের ক্ষেত্রে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
(গ) সুষম খাদ্য গ্রহণ করার মাধ্যমে আমরা
(ঘ) নিরাপদ পানি ব্যবহারে
(ঙ) ঘরে পর্যাপ্ত আলো বাতাসের
(ক) মাধ্যমে হয় না
(খ) আমরা সুস্থ থাকতে পারি
(গ) প্রয়োজন নেই
(ঘ) মাধ্যমে হয়ে থাকে
(ঙ) বৃদ্ধি করা দরকার
(চ) ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন
(ছ) সুস্থ থাকতে পারি
৪.নিচের প্রশ্নগুলো হতে যে কোনো আটটি প্রশ্নের উত্তর লেখ :
(ক) উদ্ভিদ কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করে? এ সময় উদ্ভিদ কোন গ্যাস ত্যাগ করে? উদ্ভিদের চারটি উপকারিতা লেখ যা মানবজীবনকে প্রভাবিত করে।
(খ) মানব স্বাস্থ্যের উপর শব্দ দূষণের তিনটি ক্ষতিকর প্রভাব লেখ। শব্দদূষণ রোধে তিনটি করণীয় লেখ।
(গ) পানি দূষণের তিনটি কারণ লেখ। পানি দূষণের তিনটি ক্ষতিকর প্রভাব লেখ।
(ঘ) বায়ুর কোন উপাদানটি আগুন নেভাতে ব্যবহার করা হয়? ইউরিয়া সারের মাধ্যমে গাছের বৃদ্ধিতে আমরা বায়ুর কোন উপাদানকে ব্যবহার করি? একজন মাঝি কীভাবে বায়ুপ্রবাহকে কাজে লাগায়, তা একটি বাক্যে লেখ। দৈনন্দিন কাজে বায়ুপ্রবাহের তিনটি ব্যবহার লেখ।
(ঙ) শক্তি কী? শক্তির সংরক্ষণ কাকে বলে? শক্তি সংরক্ষণের চারটি উপায় লেখ।
(চ) খাদ্য সংরক্ষণের ৩টি উপায় লেখ। খাদ্য সংরক্ষণের ৩টি উপকারিতা লেখ।
(ছ) সোয়াইন ফ্লু কেন হয়? সোয়াইন ফ্লুর চারটি লক্ষণ লেখ।
(জ) প্রযুক্তি কী? প্রযুক্তি কীভাবে বিজ্ঞানের জ্ঞানকে ব্যবহার করছে তা চারটি বাক্যে লেখ।
(ঝ) ICT এর সংক্ষিপ্ত রূপ কী? আইসিটি ব্যবহারের মাধ্যমে কী করা যায়? ১টি বাক্যে লেখ। একটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম লেখ। আমাদের জীবনে তথ্যের তিনটি গুরুত্ব লেখ।
(ঞ) তিনটি নবায়নযোগ্য সম্পদের নাম লেখ। তুমি যেভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করতে পারো তার তিনটি উপায় লেখ।
