জম্মু-কাশ্মীর ভারতের সঙ্গে একীভূত হয়েছিল একটি রাজ্য হিসেবে। কোনো সরকারের ক্ষমতা নেই এই অবস্থা পরিবর্তন করে দুই ভাগ করা অথবা কোনো অংশকে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে পরিণত করার। কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকের পর দলটির পক্ষ থেকে এ কথা বলা হয়েছে। বৈঠকে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তকে একতরফা, নির্লজ্জ ও সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক বলেও আখ্যায়িত করা হয়েছে।
কাশ্মীর ইস্যুতে দলের সবাইকে একই অবস্থানে নিয়ে আসতে চাইছে কংগ্রেস। এ লক্ষ্যেই মঙ্গলবার দীর্ঘ বৈঠক করে দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সংস্থা। যদিও দলের অবস্থানের বিরুদ্ধে বিজেপির এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন কয়েকজন কংগ্রেস নেতা। সোমবার সরকার সিদ্ধান্ত জানালেও বুধবার কংগ্রেস তাদের অবস্থান জানালো। যদিও এখনও কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি। সদ্য সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী টুইটারে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন।
রাহুল লিখেছেন, ‘জম্মু-কাশ্মীরকে একতরফাভাবে দ্বিখণ্ডিত করে, নির্বাচিত নেতৃবৃদ্ধকে কারাবন্দি ও সংবিধান লঙ্ঘন করে জাতীয় সংহতির উন্নতি সম্ভব হবে না। এই দেশটি জনগণের দ্বারা তৈরি হয়েছে, এটা জমির কোনো প্লট নয়। কার্যনির্বাহী ক্ষমতার অপব্যবহার আমাদের জাতীয় সুরক্ষার জন্য মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে।’ খবর এনডিটিভির।
সোমবার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের বিষয়ে পার্লামেন্টে দ্বিধাবিভক্ত ছিল কংগ্রেস নেতারা। বিরোধী দলীয় নেতা গুলাম নবি আজাদ, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পি চিদম্বরমসহ কংগ্রেসের গুটিকয়েক নেতা সংসদে বিজেপির আনা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। তবে মুম্বাইয়ের মুখ্যমন্ত্রী মিলিন্ড দেওরা ও কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য দিপেন্দার হুদা রাজ্যটির বিশেষ মর্যাদা বাতিলের বিষয়ে বিজেপিকে সমর্থন দিয়েছিলেন।
