অভিজিত্ ঘোষ, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
ভূঞাপুরে আবারো যমুনা নদীতে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। নদীতে পানি হ্রাস পাওয়ায় ভাঙন শুরু হয়েছে। উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কষ্টাপাড়া ও খানুরবাড়ি যমুনা নদীর অংশে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে দিশাহারা হয়ে পড়েছে নদী পারের ভাঙনকবলিত মানুষ। সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা গেছে।
জানা গেছে, ভূঞাপুরে গত জুলাই মাসে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে ভাঙন শুরু হয়। এতে ভাঙনে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কষ্টাপাড়া, খানুরবাড়ি ও ভালকুটিয়া গ্রামের ২০০ পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। ঘর-বাড়ি নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় অন্যত্র গিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে তারা। এরপর বন্যায় আরো দুর্ভোগে পড়ে নদী পারের মানুষ। দুই সপ্তাহের বন্যায় ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় হতাশায় পড়ে তারা। পরে বন্যা কাটিয়ে গেলেও আবারও যমুনা নদীতে ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে যমুনা পারের মানুষজন। একদিকে বন্যায় কৃষি জমির সব ফসল বানের জলে ভেসে গেছে অন্যদিকে নতুন করে আবারো নদীভাঙন। ফলে চরম বিপাকে পড়েছে এসব এলাকার বাসিন্দারা।
নিকরাইল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন মন্ডল জানান, চোখের সামনে ৩০০ বছরের পুরোনো বসতির ঘরবাড়ি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। প্রশাসন থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ না করায় ভাঙনে প্রতিদিন নতুন নতুন ঘরবাড়ি যমুনা নদীতে বিলীন হচ্ছে। ভাঙনরোধে যমুনা নদীতে প্রাথমিকভাবে জিওব্যাগ ফেলানোর উদ্যোগ গ্রহণ করলে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পেত তারা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ জানান, যমুনা নদীতে আবারো ভাঙনের বিষয়টি টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে।
