খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জনস্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বরখাস্ত!

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৯, ২১:২৫

নবনিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ

 খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সোহরাব হোসেনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়-এর সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বরখাস্তের বিষয়টি প্রজ্ঞাপন আকারে  জারি করা হয়।

গত ৬ আগস্ট স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ‘বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনকারী মো.সোহরাব হোসেন সরকারি কর্মচারি (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮ এর  বিধি ৩(খ) অনুযায়ী অসদাচরণের দায়ে তার বিরুদ্ধে রুজুকৃত বিভাগীয় মামলায় আনীত অভিযোগসমূহ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বিধি ১২(১) অনুযায়ী তাঁকে চাকুরী থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।’ এ বিষয়ে জানতে প্রকৌশলী মো. সোহরাব হোসেনকে বারবার ফোন করা হলেও তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

এদিকে, খাগড়াছড়ি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে যোগ দিতে এসে লাঞ্ছিতের শিকার হয়েছেন নতুন পদায়নকৃত নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আদেশ মোতাবেক গতকাল বুধবার খাগড়াছড়ি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে যোগ দিতে এলে এই ঘটনা ঘটে।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশীদ জানান, ‘নতুন নির্বাহী কর্মকর্তার যোগদান নিয়ে বিশৃঙ্খলা হচ্ছে—এমন খবর পেয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ে এসে জানতে পারি যে, খাগড়াছড়ি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উন্নয়ন বিষয়ক আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ সদস্য জুয়েল ত্রিপুরার নেতৃত্ব নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেনকে অফিস না করার জন্য  হুমকি দেয়। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশীদ জানান, নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের কাছে যেভাবে সহযোগিতা চাইবে আমরা সেভাবে সহযোগিতা করব।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা পরিষদের সদস্য পার্থ ত্রিপুরা জুয়েল বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি মোতাবেক জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর জেলা পরিষদের হস্তান্তরিত বিভাগ। চুক্তি অনুযায়ী পার্বত্য জেলা পরিষদ কর্তৃক যোগদানপত্র গ্রহণ করা হলে তিনি যোগ দিতে পারবেন;  কিন্তু জেলা পরিষদের অনুমোদন ছাড়াই তিনি জোর করে অফিসে দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে এসময় তাকে লাঞ্ছিত করা হয়নি বলে জানান তিনি।’