‘বিয়ে করেছি ঠিকই, তবে আমরা এখন সিচুয়েশনশিপে আছি’

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:০২

বলিউডে বিয়ে মানেই জমকালো আয়োজন, সামাজিক রীতি ও নানা প্রত্যাশা। তবে এই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে বলিউড অভিনেতা-প্রযোজক জ্যাকি ভাগনানি ও অভিনেত্রী রাকুল প্রীত সিং ভিন্নভাবে ভাবছেন। লকডাউনের সময় একে অপরের প্রেমে পড়েন এবং ২০২৪ সালে গোয়ার সমুদ্রসৈকতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে সাত পাকে বাঁধা পড়েন এই তারকা দম্পতি।

তবে বিয়ের পর নিজেদের সম্পর্ককে তারা বলছেন ‘সিচুয়েশনশিপ’। আর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলিউড অভিনেতা জ্যাকি বলেন, ‘আমরা বিবাহিত তবে ‘সিচুয়েশনশিপ’-এ আছি। এর মানে এই নয় যে আমাদের দায়বদ্ধতা নেই। আমরা একে অপরের প্রতি শতভাগ অনুগত। কিন্তু আমাদের মধ্যে কোনো বাড়তি প্রত্যাশার চাপ বা বিধিনিষেধ নেই। নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা যেমন সম্পর্কের জটিলতা এড়াতে চায়, আমরাও ঠিক সেভাবেই একে অপরের ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে সম্মান করি।’

জ্যাকি আরও বলেন, ‘যদি কখনো আমার কোনো প্রাক্তন প্রেমিকা ফোন করে আর রাকুল পাশে থাকে, তবে আমি নির্দ্বিধায় সেই ফোন স্পিকারে দিয়ে কথা বলতে পারি। হয়তো সেই মেয়েটি অস্বস্তিবোধ করবে, কিন্তু আমার লুকানোর কিছু নেই। এতে আমি দমবন্ধ করা কোনো সম্পর্কের চাপ অনুভব করি না।’ 

অন্যদিকে রাকুল প্রীত সিং মনে করেন, আমরা সবদিক থেকেই সমান। এমন নয় যে জ্যাকি ছুটিতে যাবে না বলে আমি মন খারাপ করে বাড়িতে বসে থাকব। 

তিনি বলেন, আমি একাই ঘুরতে যেতে পারি। অনেক বিয়েতে নারীরা নিজেদের ইচ্ছা বিসর্জন দেন, কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে বিষয়টি মোটেও তেমন নয়। আমরা একে অপরের সান্নিধ্য উপভোগ করি এবং একে অপরকে আটকে রাখি না বলেও জানান অভিনেত্রী।

Rakul Preet Singh's ethereal white saree: A perfect blend of class and  trend : Bollywood News - Bollywood Hungama

তাদের সম্পর্কে কোনো অতিরিক্ত চাপ বা অযৌক্তিক প্রত্যাশা নেই বলেও জানিয়েছেন তারা। সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে তারা গুরুত্ব দেন পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়াকে। এতে ঝগড়া কম হয়।

উল্লেখ্য, গোয়ায় অনুষ্ঠিত তাদের বিয়ের আয়োজন আড়ম্বরপূর্ণ হলেও বেশ সংযত ছিল। সব মিলিয়ে, ‘সিচুয়েশনশিপ’ শব্দটি তাদের ক্ষেত্রে প্রচলিত অর্থে ব্যবহৃত হয়নি। বরং তাদের আধুনিক সম্পর্ক নিয়ে ভাবনার বহিঃপ্রকাশ, যেখানে স্বাধীনতা, বিশ্বাস ও মানসিক পরিপক্বতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

 

 


 

ইত্তেফাক/এনটিএম