বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মজিফুল ইসলাম জানান, ডেঙ্গু-পরিস্থিতি মোকাবিলায় মশা নিধক/কীটনাশক আমদানি উন্মুক্ত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনাপত্তিক্রমে আমদানিকারকগণ ন্যায্য মূল্যে বিক্রয়ের জন্য যদি কোনো ডেঙ্গু প্রতিরোধক ওষুধ, ওডোমস/রেপিল্যান্ট বা এসিড মশা নিধনকারী কীটনাশক আমদানি করতে চায়, তা হলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তাত্ক্ষণিকভাবে তা সরাসরি আমদানির অনুমতি প্রদান করবে।
দেশের চলমান ডেঙ্গু রোগ পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং রোগীদের সুচিকিত্সা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতি, বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক মতবিনিময় সভা করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মজিফুল ইসলাম। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির নেতৃবৃন্দ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানায়, ডেঙ্গু জ্বরের প্রতিষেধক হিসেবে দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্যারাসিটামল ও আইভি ফ্লুইড মজুত রয়েছে। প্রয়োজনে অতি অল্প সময়ের মধ্যে এ ওষুধ প্রস্তুত করার জন্য ফ্যাক্টরিগুলোর প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। কোনো ওষুধের মূল্য যাতে কৃত্রিম উপায়ে বৃদ্ধি না পায়, এ বিষয়ে দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো তত্পর রয়েছে।
