রাউজানে ডেঙ্গু জ্বরের পরীক্ষায় নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও পরীক্ষার রিপোর্টে অসংগতি থাকার কারণে এক প্যাথলজি সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত বুধবার বিকাল চারটায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদ পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত উপজেলার জলিলনগরস্থ ইনটেনসিভ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানটির সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে তালাবদ্ধ করে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা চিকিত্সক মোস্তফা নুর মোরশেদ।
জানা যায়, রাউজান উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের এম এল এস সুজন দাশ (৩৮) জ্বরে আক্রান্ত হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সা গ্রহণ করেন। সেখানকার দায়িত্বরত চিকিত্সকের ব্যবস্থাপত্রানুসারে তিনি উপজেলার জলিলনগরস্থ ইনটেনসিভ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডেঙ্গু জ্বর পরীক্ষা করেন। ডেঙ্গু জ্বরের পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৫০০ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও ইনটেনসিভ নেন ৮০০ টাকা। সেই সঙ্গে ডেঙ্গু জ্বর পরীক্ষায় সরবারহ করা প্রতিবেদনে অসংগতিও ধরা পড়ে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত এই অভিযান পরিচালনা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের টিমে থাকা চিকিত্সক মোস্তফা নুর মোরশেদ দৈনিক ইত্তেফাককে বলেন, ডেঙ্গু জ্বরের জন্য ব্যবস্থাপত্রে উল্লেখিত পরীক্ষার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির রিপোর্টে উল্লেখিত পরীক্ষার অসংগতি রয়েছে।
