মৌসুমি নিম্নচাপে উত্তাল বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে না পেরে ফিশিংবোট বহর সুন্দরবনসহ উপকূলের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। তিন দিন ধরে ঝড়বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বাংলাদেশ ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সহ-সভাপতি এম সাইফুল ইসলাম খোকন বলেন, তিন দিন যাবত্ মৌসুমি ঝড়ের কারণে সাগর প্রচণ্ড উত্তাল হওয়ায় ঢেউয়ের আঘাতে সাগরে টিকতে না পেরে ফিশিংবোটগুলো উপকূলের মহিপুর, পাথরঘাটা, সুন্দরবনের কচিখালী, দুবলারচর, ছাপড়াখালী, নারিকেলবাড়ীয়াসহ অন্যান্য এলাকায় নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে। আবহাওয়া বিভাগ তিন নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছে। তিনি আরো বলেন, ৬৫ দিনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেরা দুদফা সাগরে গিয়ে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়েছে। মাছ ধরতে না পেরে তারা আর্থিক সংকটে রয়েছে।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. জয়নাল আবেদীন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কবলে পড়ে বেশকিছু ফিশিং ট্রলার সুন্দরবনের দুবলারচরসহ আশপাশের খালে নিরাপদ আশ্রয় নেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এদিকে ঝড়ো হাওয়ার তাণ্ডবে পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির মোরেলগঞ্জের পানগুছি নদী ক্রসিং বিদ্যুত্ লাইনের তার বুধবার বিকেলে ছিঁড়ে পড়ে। ফলে ঐদিন শরণখোলা অঞ্চলে বিদ্যুত্ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিকল্প ব্যবস্থায় শরণখোলা উপজেলা সদরসহ আংশিক এলাকায় বিদ্যুত্ সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়।
