সুনীল অর্থনীতি :উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের সোপান

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০১৯, ২১:৫২

২০০৯ সালে সরকার গঠন করার পর পরই দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে ঝুলে থাকা ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমানা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে কার্যকর প্রচেষ্টা শুরু করেন। সেইসঙ্গে ২০০৯ সালের ৮ অক্টোবর সমুদ্রসীমার বিষয়টি সুরাহা করার জন্য আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বারস্থ হন। তার ফলশ্রুতিতেই  ২০১২ সালের ১৪ মার্চ জার্মানির সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায়ে মিয়ানমারের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ ৮০ হাজার বর্গকিলোমিটারের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ৭০ হাজার বর্গকিলোমিটার অর্জন করে। মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে এ রায় দেশের জন্য এক বিরাট অর্জন।

প্রাসঙ্গিকভাবে বলা প্রয়োজন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে সমুদ্রবিজয় অভিযাত্রার সূচনা করেন। দক্ষিণ এশিয়ার ১ম দেশ হিসেবে স্বাধীনতার মাত্র তিন বছরের মাথায় তিনি বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪৩ নম্বর অনুচ্ছেদের (২) নম্বর ধারা অনুযায়ী সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত Territorial Waters and Maritime Zones Act 1974 প্রণয়ন করেন যা গেজেট হিসেবে প্রকাশ পায় ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে। ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার কর্তৃক সামুদ্রিকবিষয়ক আইন পাশ হওয়ার পরপরই মিয়ানমারের সঙ্গে সেন্টমার্টিনে ১২ মাইল টেরিটোরিয়াল সি ঠিক করে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। লক্ষণীয় বিষয় হলো—জাতির পিতা সমুদ্রসীমা নির্ধারণে যে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন তা পরবর্তীতে অব্যাহত থাকেনি। ১৯৭৫ সালে জাতির পিতার মর্মান্তিক হত্যার পর দীর্ঘদিন দেশে গণতান্ত্রিক সরকার না থাকায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থসংশ্লিষ্ট সমুদ্রসীমার বিষয়টি অবহেলিতই থেকে যায়। তবে ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা কর্তৃক বাংলাদেশে প্রণীত আইনটিই আন্তর্জাতিক আইনের ক্ষেত্রে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

সমুদ্র হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ। সমুদ্র, মাছ এবং মত্স্য সম্পদের মাধ্যমে খাবার সরবরাহ করে, যাত্রী এবং মালামাল পরিবহনের একটি দক্ষ মাধ্যম হিসেবেও সমুদ্র ব্যবহূত হয়। এছাড়া সমুদ্র নানা ধরনের প্রাকৃতিক খনিজসম্পদ যেমন লবণ, বালি, গ্রাভেল, কপার এবং কবাল্ট ইত্যাদির আধার হিসেবে ব্যবহূত হয় এবং তেল ও গ্যাসসম্পদ আহরণ ক্ষেত্র হিসেবেও সমুদ্র ব্যবহূত হয়। এসকল উপাদানের সমষ্টিই হলো সুনীল অর্থনীতি (Blue Economy)| এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করা, সামাজিক পুঁজির সৃষ্টি করা, আয় বাড়ানো এবং সর্বোপরি পরিবেশে সঞ্চয়-বিনিয়োগের মধ্যে ভারসাম্য সৃষ্টি করা। কাজেই এ ধরনের সমুদ্রনির্ভর উন্নয়ন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চিত্রকে পালটে দিতে পারে। সমুদ্র আমাদের পৃথিবীর প্রায় ৭২% এবং বায়োস্ফেয়ারের প্রায় ৯৫% এলাকা ঘিরে রয়েছে। অক্সিজেন সরবরাহ করা, কার্বন-ডাই অক্সাইড শোষণ করা, পুনরুত্পাদনের মাধ্যমে পুষ্টি সরবরাহ করা, পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জলবায়ুর ভারসাম্যতা রক্ষা করা ইত্যাদি নানাবিধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমুদ্র সম্পদ আমাদের জীবনকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলতে সহায়তা করে। পৃথিবীর সিংহভাগ মানুষের খাবার এবং জীবনযাত্রা সমুদ্রের ওপর নির্ভর করে এবং বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ৮০% সমুদ্র পরিবহনের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। বৈশ্বিক গ্লোবাল পর্যটন শিল্প এবং প্রকৃতিনির্ভর পর্যটন শিল্পের বিকাশে সামুদ্রিক এবং উপকূলীয় পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উপরন্তু বিশ্বে মোট হাইড্রোকার্বনের ৩২% সরবরাহ হয় সামুদ্রিক উত্স থেকে। নতুন নতুন উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে আহরিত খনিজ সম্পদ থেকে বায়োপ্রোসপেকটিং সরবরাহের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে সমুদ্র। রিও+২০ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিশ্বের সামুদ্রিক এলাকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে এবং এর সামগ্রিক উন্নয়নে সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণে উত্সাহ প্রদান করা হয়েছে। বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য সমুদ্রের সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখা অপরিহার্য। বর্তমান পৃথিবীর একটি অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন, অনিশ্চিত অর্থনৈতিক অবস্থা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ক্রমাগত প্রতিযোগিতার মুখে ২০৫০ সালের মধ্যে ৯ বিলিয়ন মানুষের আহার যোগাড় করা। এই সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে পৃথিবীকে বাসযোগ্য করতে/অবস্থায় সমুদ্র সম্পদ এক বিরাট ভূমিকা রাখে। এরই প্রেক্ষিতে ২০১৫র মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল পরবর্তী উন্নয়ন লক্ষমাত্রা নির্ধারণে সুনীল অর্থনীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ১৪-এ বলা হয়েছে টেকসই উন্নয়নের জন্য সমুদ্র এবং সামুদ্রিক সম্পদের সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারের প্রয়োজন। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল এবং মহীসোপান প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। বিশ্বব্যাপী আজ তাই উন্নয়নের দৃষ্টি উপকূল ও সমুদ্র সম্পদের ওপর, বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এই বাস্তবতা আরো প্রবল। আমরা যদি টেকসই উন্নয়নকে বিবেচনায় রেখে উন্নত বাংলাদেশ এর লক্ষ্য অর্জন করতে চাই তাহলে সুনীল অর্থনীতিকে অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক হিসেবে বিবেচনায় নিতে হবে। পুরো  সমুদ্র এলাকাকে বিবেচনায় নিয়ে সুনীল অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনে অবশ্যই একটি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণে ঐকমত্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জিডিপির প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সুনীল অর্থনীতির এ অপার সম্ভাবনাকে আমরা যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারি।

বাংলাদেশে সুনীল অর্থনীতির কার্যক্রম বাস্তবায়নে বর্তমানে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় নানা ধরনের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। বিশেষ করে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় পৃৃথকভাবে ‘ব্লু ইকনমি সেল’ গঠন করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কিন্তু সুনীল অর্থনীতির কার্যক্রমসমূহ পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। সামুদ্রিক এলাকা হতে প্রাপ্ত প্রধান অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- তেল ও গ্যাস, মত্স্য সম্পদ, ঢেউয়ের শক্তি, জোয়ারের শক্তি, উপকূলীয় বায়ু,  লবণের উত্পাদন, সামুদ্রিক তাপ-শক্তি রূপান্তর, সামুদ্রিক খনিজ আহরণ ইত্যাদি। এ সকল সম্পদ আহরণ এবং ব্যবহার নিশ্চিত করতে হলে বাংলাদেশকে অবশ্যই সমুদ্র অঞ্চলভিত্তিক বিভাজন (ব্লক), ম্যাপিং এবং আহরণযোগ্য সম্পদের পরিমাণ অ্যাসেসমেন্ট করা অত্যন্ত জরুরি।

সুনীল অর্থনীতি যেহেতু পৃথিবীব্যাপী একটি নতুন ধারণা সেই বিবেচনায় এই বিষয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা, জ্ঞান অন্বেষণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করা যেতে পারে।

এক সময়ের মাছে-ভাতে বাঙালি কথাটার খুবই প্রচলন ছিল। বর্তমানে পুষ্টির উত্স হিসেবে প্রাণিসম্পদ নির্ভরতার দিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। কিন্তু প্রাণিজ খামার ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন ধরনের প্রাণির জাত উদ্ভাবন করা খুবই দুরূহ। সেই বিবেচনায় সামুদ্রিক মত্স্য সম্পদ আহরণ ও তার ব্যবহারের মাধ্যমে অতীতের মাছে-ভাতে বাঙালি চরিত্র যেমন ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সমুদ্রভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের পর্যটনশিল্প গড়ে উঠেছে। জাহাজের মাধ্যমে এ শিল্পব্যবস্থার মাধ্যমে বৈদেশিক বিভিন্ন যোগাযোগের পাশাপাশি বিলাসবহুল পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। সমুদ্রসীমানা বিজয় এক্ষেত্রে পর্যটনশিল্পের বিকাশে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

বায়োপ্রোসপেকটিং অথবা এর বিভিন্ন উপাদান কৃষি, ওষুধশিল্প, বায়োরেমিডিয়েশন, ন্যানোটেকনোলজিসহ নানাবিধ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দক্ষতার সাঙ্গে বায়োপ্রোসপেকটিং আহরণ এ ধরনের শিল্পের বিকাশ ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সমর্থ হবে।

এ ছাড়াও বাংলাদেশের ভবিষ্যত্ জ্বালানি-শক্তির বিকল্প হিসেবে গ্যাস হাইড্রেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।  সামুদ্রিক সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

বাংলাদেশ মিঠাপানির মাছ উত্পাদনে যথেষ্ট সফলতা অর্জন করেছে। কিন্তু ম্যারিকালচারে বাংলাদেশ এখনো কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন করতে সমর্থ হয়নি। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমানায় ইন্ডিয়ান স্যালমন, কাঁকড়া ইত্যাদি যথেষ্ট পরিমাণে পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে ম্যারিকালচার গবেষণায় অধিকতর গুরুত্ব প্রদান করা যেতে পারে।

সমুদ্র ও সমুদ্রবিজ্ঞান তথা ম্যারিটাইম খাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সুনীল অর্থনীতির ওপর গুরুত্বারোপের কোনো বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে ম্যারিন স্পেসে নানা ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বিশেষ করে ম্যারিকালচার, সমুদ্র পরিবহন, পর্যটন, মত্স্য সম্পদ আহরণ ইত্যাদির মধ্যে পারস্পরিক যোগসূত্র স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশে ম্যারিন বায়োটেকনোলজি গবেষণায় গুরুত্বারোপ করা হলে অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্টার্ন ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশ সমুদ্রজাত খাদ্যদ্রব্য উত্পাদনে বিনিয়োগ করতে উত্সাহিত হবে। সমুদ্রে খাঁচায় মাছ চাষ জনপ্রিয় করা যেতে পারে। বিশেষ করে খাঁচায় ক্র্যাব ফ্যাটেনিং ভালো একটি উদ্যোগ হতে পারে। এছাড়াও ভেটকি হ্যাচারি স্থাপন করার মাধ্যমে ভেটকি মাছ চাষ জনপ্রিয় করা যেতে পারে। বাংলাদেশে টুনা ফিশারির জন্য কুল চেইন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে, সেই কুল চেইনে শুধু ইন্ডিয়ান টুনা সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ করা হয়। জানা যায়, ব্লু ফিন টুনা কিংবা ইয়েলো ফিন টুনা মাছ ধরার কোনো প্রযুক্তি আমাদের দেশে নেই। এই পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন ধরনের টুনা মাছ চিহ্নিত করাসহ মাছ ধরার প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য প্রয়োজনীয় গবেষণা কার্যক্রম হাতে নেওয়া যেতে পারে।

সিউইড (Seaweed) খুবই স্বাস্থ্যসম্মত একটি খাবার। যদিও সিউইড জনপ্রিয় খাবার হিসেবে বাংলাদেশে প্রচলিত নয় কিন্তু উন্নত দেশগুলোতে সিউইড খুবই জনপ্রিয়। সিউইড রপ্তানির জন্য গুণমান বজায় রাখার লক্ষ্যে মত্স্য অধিদপ্তরের অধীন ঢাকা, খুলনা ও চট্ট্রগ্রামে কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরির মাধ্যমে পরীক্ষানিরীক্ষা করা যেতে পারে।

উপরোল্লিখিত প্রস্তাবনাসমূহ বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে সুনীল অর্থনীতি ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ নির্মাণে অনন্য অবদান রাখবে বলে আশা করা যায়। তবেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আমরা আরো এগিয়ে যেতে সক্ষম হব।

n লেখক :সভাপতি, বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ

সমিতি এবং সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়