পোস্তগোলা চীন বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু (প্রথম বুড়িগঙ্গা সেতু) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৮ সালে। এত পুরনো আর কোনো সেতুতেই টোল নেওয়া হয় না। গত এক দশক ধরে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের রোড অ্যান্ড হাইওয়ে বিভাগে টোল বাতিলের ফাইল জমা পড়ে আছে। এদিকে সমস্যা হয়েছে নতুন কর্তৃপক্ষ টোলের হার অস্বাভাবিক বাড়িয়ে দেওয়াতে। সিএনজি অটোরিকশা (যারা শেয়ারে যাত্রী পারাপার করে) ফ্রি থেকে পঁচিশ টাকা, প্রাইভেট কার দশ থেকে চল্লিশ টাকা, মাইক্রোবাস বিশ থেকে পঁচাশি টাকা, ট্রাক পঞ্চাশ থেকে সাড়ে তিন শ টাকা। এ কারণে বর্তমানে যে সমস্যাগুলো হচ্ছে—অতিরিক্ত টোল বাড়ার জন্য পরিবহনভাড়া বেড়ে গেছে বহুগুণ। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে শুরু করে পুরো দক্ষিণাঞ্চলে পণ্যের দাম, নির্মাণসামগ্রীর দাম বেড়ে গেছে অস্বাভাবিক হারে। টোলঘর স্থাপন করা হয়েছে সেতুর ঠিক মাঝখানে নদীর ওপর। নজিরবিহীন এই কাজের জন্য সেতু চলাচল বিপজ্জনক হয়ে গেছে। সারা দিন সেতুতে তীব্র যানজট লেগে থাকে। পদ্মা সেতুর কাজ ধীরগতি হয়ে গেছে শুধু এই একটি কারণে। সেতুতে টোল ঘরের আশেপাশে সন্ত্রাসী বাহিনী অস্ত্রের মহড়া চালাচ্ছে। সবচেয়ে দুঃখজনক এত বড় একটি গণসমস্যা নিয়ে কোথাও কোনো উচ্চবাচ্য নেই। এই সমস্যার আশু সমাধান কামনা করছি।
সামিউল ইসলাম সামু
হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা
