৩৭তম বিসিএস নন-ক্যাডার

আরো ১১৩ জনকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে সুপারিশ

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০১৯, ২২:৫৫

৩৭তম বিসিএস পরীক্ষায় ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নন এমন প্রার্থীদের মধ্য থেকে আরো ১১৩ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। বৃহস্পতিবার বিকালে কমিশনের ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। তার আগে দুপুরে অনুষ্ঠিত কমিশনের বিশেষ সভায় প্রথম শ্রেণির (৯ম গ্রেড) শূন্যপদে ১৫ জন এবং দ্বিতীয় শ্রেণিতে (১ম গ্রেড) ৯৮ জন প্রার্থীকে নন-ক্যাডার প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে সাময়িকভাবে কমিশন সুপারিশ করে।

ফলাফল প্রকাশের তথ্য জানিয়ে পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক ইত্তেফাককে বলেন, কমিশন সভায় ৩৭তম বিসিএস থেকে নন-ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের চাহিদার আলোকে ২য় শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে আরো সুপারিশ করা হবে।

পিএসসির পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা-২০১০ (সংশোধিত বিধিমালা-২০১৪) বিধান অনুযায়ী ৩৭তম বিসিএস পরীক্ষায় ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নন এমন প্রার্থীদের মধ্য থেকে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিধিতে উল্লিখিত শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীদের মেধাক্রম ও সংশ্লিষ্ট পদের নিয়োগ-বিধির ভিত্তিতে সাময়িকভাবে সুপারিশ করেছে। ফলাফল কমিশনের ওয়েবসাইটে (www.bpsc.gov.bd) পাওয়া যাচ্ছে।

সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রথম শ্রেণির পদে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ১৫ জন, দ্বিতীয় শ্রেণির খাদ্য পরিদর্শক/ কারিগরি খাদ্য পরিদর্শক ৭৫ জন, সুপারভাইজর পদে ৭ জন, সহকারী তথ্য অফিসার ৯ জনসহ সর্বমোট ৮ ক্যাটাগরির ৯৮টি পদ রয়েছে। ১৫ জন প্রথম শ্রেণির নিয়োগের সুপারিশের মাধ্যমে ৬৯২ জনকে সুপারিশ করা হলো। এর আগে চলতি বছরের ১৩ মার্চ সর্বোচ্চ সংখ্যক ৫৭৮ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছিল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। গত ৪ জুলাই আরো ৯৯ জন নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।

আবেদনকারীরা সবাই শর্তসাপেক্ষে চাকরি পাবেন উল্লেখ করে পিএসসি থেকে বলা হয়েছে, এখনো পর্যন্ত পিএসসির কাছে ১০ গ্রেডের ৪২১টি, ১১তম গ্রেডে ৩১টি, ১২তম গ্রেডে ৩ হাজার ৭৬৪টি এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে ৩ হাজার ৭১৬টি শূন্য পদ রয়েছে।

২০১৮ সালের ১২ জুন ৩৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ক্যাডার ১৩১৪ জন ক্যাডার পান। বাকি ৩ হাজার ৪৫৪ জনকে নন-ক্যাডারে অপেক্ষমাণ রাখা হয়। ৩৭তম বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় ৪ হাজার ৭৬৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। নন-ক্যাডার পদে ২ হাজার ২৬২ জন আবেদন করেছিলেন। চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও যারা ক্যাডার পান না, তাদের মধ্যে থেকে ২৮তম বিসিএস থেকে নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রথমদিকে অল্প সংখ্যক পরীক্ষার্থী নিয়োগের জন্য বিবেচিত হলেও বর্তমান কমিশনের আমলে সর্বোচ্চ সংখ্যক পরীক্ষার্থী নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ পাচ্ছেন। এজন্য বর্তমান কমিশনের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থীরা।