শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুট

ফেরি চললেও দুর্ভোগে ঘরমুখী মানুষ

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০১৯, ২২:৫৫

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হলেও ঈদে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। আগের দিন বৈরী আবহাওয়া এবং নদীতে অস্বাভাবিক ঢেউ থাকায় ফেরি চলাচল মারাত্মক ব্যাহত হয়। ঢেউয়ের আঘাতে ফেরিঘাটের পন্টুনের সংযোগ সড়ক বিনষ্ট হয়। সব মেরামত করে নদীর অবস্থা কিছুটা শান্ত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টা থেকে ১৬টি ফেরি চলাচল শুরু হয়। তবে নদী পারাপারে সময় বেশি লাগছে। ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ এ ঘাটে বেড়ে যাওয়ায় যানবাহনের দীর্ঘ লাইন কমছে না। যাত্রীবাহী বাসসহ ৫ শতাধিক যান গতকাল সন্ধ্যায় শিমুলিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় ছিল। এতে যাত্রীদের দুর্ভোগ  পোহাতে হচ্ছে।   

গত বুধবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে পদ্মায় প্রবল ঢেউয়ের কারণে এ রুটে ফেরিসহ সবধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে গতকাল সকাল ৬টায় চারটি ফেরি দিয়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এ রুটে ফেরি সার্ভিস সচল করা হয়। সেই সঙ্গে সকাল থেকেই চলাচল শুরু করেছে লঞ্চ ও স্পিডবোট।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাট ম্যানেজার আব্দুল আলিম জানান, আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় পদ্মায় একটু ঢেউ কমেছে। তাই সকাল থেকে ফেরি ও অন্যান্য নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে। দুপুরে পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে বলা যায়।

এদিকে মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জয়েদুল আলম বলেছেন, ঘাটে নিরাপত্তায় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদে ঘরমুখো মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে পারাপার হতে পারে সে ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে।

মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার জানান, শিমুলিয়া ঘাটে যাতে যত্রতত্র গাড়ি পার্ক না করা হয় এবং নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী না নেওয়া হয়, সে ব্যাপারে মাইকিং চলছে। পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে কাজ করছে। দুই জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক ঘাটে অবস্থান করছে। কোনো অনিয়ম পেলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে তাত্ক্ষণিক শাস্তির ব্যবস্থা নেবে।