সরবিন্দু সরকার
প্রভাষক
রাজউক উত্তরা মডের কলেজ, ঢাকা
১. তুমি জীবসেবা করবে কেন?
উত্তর : জীবসেবা করলে জীবের মঙ্গল হবে। জীবসেবা করলে নিজেরা শান্তি পাব। ঈশ্বর সন্তুষ্ট হবেন।
২.জীবসেবার মাধ্যমে কী লাভ করা যায়?
উত্তর : জীবসেবার মাধ্যমে ঈশ্বর লাভ করা যায়। কারণ ঈশ্বর জীবদেহে আত্মারূপে অবস্থান করেন।
৩. ধর্মদেব অতিথি হয়ে এসেছিলেন কেন? ]
উত্তর : ধর্মদেব ব্রাহ্মণকে পরীক্ষা করার জন্য অতিথি হয়ে এসেছিলেন। ব্রাহ্মণ কেমন জীবসেবা করেন তা পরীক্ষা করতে।
৪.‘যত্র জীবঃ তত্র শিবঃ’ এ কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর : ‘যত্র জীবঃ তত্র শিবঃ’ এ কথাটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে, যেখানে জীব সেখানেই শিব। এখানে শিব মানে ঈশ্বর।
৫.উঞ্চবৃত্তি বলতে কী বোঝ?
উত্তর :কৃষকেরা জমির ধান কেটে নেওয়ার পর জমিতে যা দু-একটা ছড়া পড়ে থাকে, তা কুড়িয়ে নিয়ে খিদে মেটানোকে উঞ্চবৃত্তি বলা হয়।
৬. ব্রাহ্মণদের পরিবারে ঠিকমতো খাবার জুটত না কেন?
উত্তর : ব্রাহ্মণদের পরিবারে ঠিকমতো খাবার জুটত না, কারণ ব্রাহ্মণ ধর্মসাধনা ও বিদ্যাচর্চায় সময় কাটাতেন।
৭. সবকিছু কে সৃষ্টি করেছেন? ঈশ্বরের আরেক নাম কি?
উত্তর : সবকিছু ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন। ঈশ্বরের আরেক নাম পরমাত্মা।
৮. জীবনে চলার পথে আমরা কার করুণা লাভ করতে চাই?
উত্তর : জীবনে চলার পথে আমরা ঈশ্বরের করুণা লাভ করতে চাই।
৯. আমরা ঈশ্বরের কী করি? ঈশ্বর কেমন?
উত্তর : আমরা ঈশ্বরের স্তবস্তুতি করি। ঈশ্বর নিরাকার।
১০.যেখানে জীব, সেখানেই কী? জীবের মধ্যে ঈশ্বর কীরূপে অবস্থান করেন?
উত্তর : যেখানে জীব সেখানেই শিব। জীবের মধ্যে ঈশ্বর আত্মারূপে অবস্থান করেন।
১১.ঈশ্বর কীরূপে জীবকে পরিচালনা করেন?
উত্তর : ঈশ্বর আত্মারূপে জীবকে পরিচালনা করেন।
১২.আমরা পোষা জীবজন্তুর পরিচর্যা করব কেন?
উত্তর : আমরা ঈশ্বরের সন্তুষ্টির জন্য পোষা জীবজন্তুর পরিচর্যা করব।
১৩.আমরা জীবকে কী জ্ঞানে সেবা করব? জীবসেবা করলে কে সন্তুষ্ট হবেন?
উত্তর : আমরা জীবকে ঈশ্বর জ্ঞানে সেবা করব। জীবসেবা করলে ঈশ্বর সন্তুষ্ট হবেন।
১৪.দরিদ্র ব্রাহ্মণের ঘরে কে কে আছে? ব্রাহ্মণ কী করে সংসার চালাতেন?
উত্তর : দরিদ্র ব্রাহ্মণের ঘরে আছে স্ত্রী, ছেলে ও ছেলের বউ। উঞ্ছবৃত্তি করে ব্রাহ্মণ সংসার চালাতেন।
১৫. ব্রাহ্মণের ঘরে অতিথিরূপে কে এসেছিলেন?
উত্তর : ব্রাহ্মণের ঘরে অতিথিরূপে ধর্মদেব এসেছিলেন।
প্রথম পরিচ্ছেদ : ঈশ্বরের স্বরূপ
১৬. হিরণ্যকশিপু বিষ্ণুবিরোধী হয়ে উঠলেন কেন?
উত্তর : শ্রীবিষ্ণু হিরণ্যাকে বধ করেছেন জেনে তাঁর ভাই হিরণ্যকশিপু খুব ক্রুদ্ধ হলেন। তাই তিনি প্রচণ্ড বিষ্ণুবিরোধী হয়ে উঠলেন।
১৭. রাম-রাবণের মধ্যে ভীষণ যুদ্ধ হয় কেন?
উত্তর : বন থেকে রাবণ সীতাকে হরণ করেন। তাই রাম-রাবণের মধ্যে ভীষণ যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে রাবণ সবংশে নিহত হন।
১৮.অবতার রূপে পৃথিবীতে আসার পর ঈশ্বরের প্রধান কাজ কী?
উত্তর : অবতার রূপে ঈশ্বর পৃথিবীতে আসার পর তাঁর প্রধান কাজ হলো দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন। আর জগতের কল্যাণ ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
১৯. আমরা কেন দেবদেবীর পূজা করি?
উত্তর : আমরা দেবদেবীর পূজা করি কারণ, দেবদেবীর পূজা করলে সকলের মঙ্গল হয় এবং সকলে শান্তি পায়।
২০.বলরামকে হলধরা বলা হয় কেন?
উত্তর : বলরামের হাতে একটি লাঙল থাকত। এই লাঙল বা হল আকৃতির অস্ত্র দিয়ে তিনি যুদ্ধ করতেন। তাই তাকে হলধরা বলা হয়।
২১. দেবতা বা দেবদেবী কাকে বলে?
উত্তর : ঈশ্বরের যেকোনো গুণ বা মত যখন আকার বা রূপ পায়, তখন তাকে দেবতা বা দেব-দেবী বলে।
২২. িবষ্ণু বলি রাজাকে কীরূপে দমন করেছিলেন?
উত্তর : বামণরূপী ভগবান বিষ্ণু বলির মাথায় পা রেখে তাকে পাতালে নামিয়ে দিয়ে বলিকে দমন করলেন।
২৩. বরাহরূপী শ্রীহরি কীভাবে পৃথিবীকে রক্ষা করেন?
উত্তর : শ্রীহরি তাঁর বিশাল দাঁত দিয়ে পৃথিবীকে জলের উপরে তুলে ধরে পৃথিবীকে রক্ষা করেন।
২৪.কার শক্তির শেষ নেই? কে আমাদের পালন করেন?
উত্তর : ঈশ্বরের শক্তির শেষ নেই। ঈশ্বর আমাদের পালন করেন।
২৫.কাদের মাধ্যমে ঈশ্বরের শক্তির প্রকাশ ঘটে?
উত্তর : দেব-দেবীর মাধ্যমে ঈশ্বরের শক্তির প্রকাশ ঘটে।
