প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা প্রস্তুতি হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০১৯, ২০:০০

 

সরবিন্দু সরকার

প্রভাষক

রাজউক উত্তরা মডের কলেজ, ঢাকা

১. তুমি জীবসেবা করবে কেন?       

উত্তর : জীবসেবা করলে জীবের মঙ্গল হবে। জীবসেবা করলে নিজেরা শান্তি পাব। ঈশ্বর সন্তুষ্ট হবেন।

২.জীবসেবার মাধ্যমে কী লাভ করা যায়?

উত্তর : জীবসেবার মাধ্যমে ঈশ্বর লাভ করা যায়। কারণ ঈশ্বর জীবদেহে আত্মারূপে অবস্থান করেন।

৩. ধর্মদেব অতিথি হয়ে এসেছিলেন কেন?          ]

উত্তর : ধর্মদেব ব্রাহ্মণকে পরীক্ষা করার জন্য অতিথি হয়ে এসেছিলেন। ব্রাহ্মণ কেমন জীবসেবা করেন তা পরীক্ষা করতে।

৪.‘যত্র জীবঃ তত্র শিবঃ’ এ কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর : ‘যত্র জীবঃ তত্র শিবঃ’ এ কথাটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে, যেখানে জীব সেখানেই শিব। এখানে শিব মানে ঈশ্বর।

৫.উঞ্চবৃত্তি বলতে কী বোঝ?

উত্তর :কৃষকেরা জমির ধান কেটে নেওয়ার পর জমিতে যা দু-একটা ছড়া পড়ে থাকে, তা কুড়িয়ে নিয়ে খিদে মেটানোকে উঞ্চবৃত্তি বলা হয়।

৬. ব্রাহ্মণদের পরিবারে ঠিকমতো খাবার জুটত না কেন?

উত্তর : ব্রাহ্মণদের পরিবারে ঠিকমতো খাবার জুটত না, কারণ ব্রাহ্মণ ধর্মসাধনা ও বিদ্যাচর্চায় সময় কাটাতেন।

৭. সবকিছু কে সৃষ্টি করেছেন? ঈশ্বরের আরেক নাম কি?

উত্তর : সবকিছু ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন। ঈশ্বরের আরেক নাম পরমাত্মা।

৮. জীবনে চলার পথে আমরা কার করুণা লাভ করতে চাই?

উত্তর : জীবনে চলার পথে আমরা ঈশ্বরের করুণা লাভ করতে চাই।

৯. আমরা ঈশ্বরের কী করি? ঈশ্বর কেমন?

উত্তর : আমরা ঈশ্বরের স্তবস্তুতি করি। ঈশ্বর নিরাকার।

১০.যেখানে জীব, সেখানেই কী? জীবের মধ্যে ঈশ্বর কীরূপে অবস্থান করেন?

উত্তর : যেখানে জীব সেখানেই শিব। জীবের মধ্যে ঈশ্বর আত্মারূপে অবস্থান করেন।

১১.ঈশ্বর কীরূপে জীবকে পরিচালনা করেন?      

উত্তর : ঈশ্বর আত্মারূপে জীবকে পরিচালনা করেন।

১২.আমরা পোষা জীবজন্তুর পরিচর্যা করব কেন?

উত্তর : আমরা ঈশ্বরের সন্তুষ্টির জন্য পোষা জীবজন্তুর পরিচর্যা করব।

১৩.আমরা জীবকে কী জ্ঞানে সেবা করব? জীবসেবা করলে কে সন্তুষ্ট হবেন?

উত্তর : আমরা জীবকে ঈশ্বর জ্ঞানে সেবা করব। জীবসেবা করলে ঈশ্বর সন্তুষ্ট হবেন।

১৪.দরিদ্র ব্রাহ্মণের ঘরে কে কে আছে? ব্রাহ্মণ কী করে সংসার চালাতেন?

উত্তর : দরিদ্র  ব্রাহ্মণের ঘরে আছে স্ত্রী, ছেলে ও ছেলের বউ। উঞ্ছবৃত্তি করে ব্রাহ্মণ সংসার চালাতেন।

১৫. ব্রাহ্মণের ঘরে অতিথিরূপে কে এসেছিলেন?

উত্তর : ব্রাহ্মণের ঘরে অতিথিরূপে ধর্মদেব এসেছিলেন।

প্রথম পরিচ্ছেদ : ঈশ্বরের স্বরূপ

১৬. হিরণ্যকশিপু বিষ্ণুবিরোধী হয়ে উঠলেন কেন?               

উত্তর : শ্রীবিষ্ণু হিরণ্যাকে বধ করেছেন জেনে তাঁর ভাই হিরণ্যকশিপু খুব ক্রুদ্ধ হলেন। তাই তিনি প্রচণ্ড বিষ্ণুবিরোধী হয়ে উঠলেন।

১৭. রাম-রাবণের মধ্যে ভীষণ যুদ্ধ হয় কেন?      

উত্তর : বন থেকে রাবণ সীতাকে হরণ করেন। তাই রাম-রাবণের মধ্যে ভীষণ যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে রাবণ সবংশে নিহত হন।

১৮.অবতার রূপে পৃথিবীতে আসার পর ঈশ্বরের প্রধান কাজ কী?            

উত্তর : অবতার রূপে ঈশ্বর পৃথিবীতে আসার পর তাঁর প্রধান কাজ হলো দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন। আর জগতের কল্যাণ ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।

১৯. আমরা কেন দেবদেবীর পূজা করি?

উত্তর : আমরা দেবদেবীর পূজা করি কারণ, দেবদেবীর পূজা করলে সকলের মঙ্গল হয় এবং সকলে শান্তি পায়।

২০.বলরামকে হলধরা বলা হয় কেন?               

উত্তর : বলরামের হাতে একটি লাঙল থাকত। এই লাঙল বা হল আকৃতির অস্ত্র দিয়ে তিনি যুদ্ধ করতেন। তাই তাকে হলধরা বলা হয়।

২১. দেবতা বা দেবদেবী কাকে বলে?               

উত্তর : ঈশ্বরের যেকোনো গুণ বা মত যখন আকার বা রূপ পায়, তখন তাকে দেবতা বা দেব-দেবী বলে।

২২. িবষ্ণু বলি রাজাকে কীরূপে দমন করেছিলেন?

উত্তর : বামণরূপী ভগবান বিষ্ণু বলির মাথায় পা রেখে তাকে পাতালে নামিয়ে দিয়ে বলিকে দমন করলেন।

২৩. বরাহরূপী শ্রীহরি কীভাবে পৃথিবীকে রক্ষা করেন?

উত্তর : শ্রীহরি তাঁর বিশাল দাঁত দিয়ে পৃথিবীকে জলের উপরে তুলে ধরে পৃথিবীকে রক্ষা করেন।

২৪.কার শক্তির শেষ নেই? কে আমাদের পালন করেন?

উত্তর : ঈশ্বরের শক্তির শেষ নেই। ঈশ্বর আমাদের পালন করেন।

২৫.কাদের মাধ্যমে ঈশ্বরের শক্তির প্রকাশ ঘটে?

উত্তর : দেব-দেবীর মাধ্যমে ঈশ্বরের শক্তির প্রকাশ ঘটে।