মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় মনু নদী রক্ষা বাঁধ ভাঙনের ফলে বন্ধ দুটি আঞ্চলিক সড়কের বিকল্প সড়ক চালুর দাবি জানিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার কুলাউড়া উপজেলার হাজিপুর ইউনিয়নের ১০টি গ্রামের মানুষের ভোগান্তি লাঘবে ও বিকল্প সড়ক চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় হাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিদ বাচ্চু। জানা যায়, গতমাসে প্রথম সপ্তাহের দিকে টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে মৌলভীবাজারের মনু নদীতে পানি বেড়ে যায়। এরপর থেকে কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের কাউকাপন বাজার এলাকায় মনু রক্ষা বাঁধে তিন দফা ভাঙনে বিশাল অংশ নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। বর্তমানে এই বাঁধের কাউকাপন অংশের পার্শ্ববর্তী হাজিপুর-হাশিমপুর ও কটারকোনা-তারাপাশা আঞ্চলিক দুটি পাকা সড়কে ফাটল ও ভাঙনের ফলে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। তাই এই আঞ্চলিক সড়কে চলাচলকারী প্রায় ১০টি গ্রামের মানুষ বর্তমানে অচল হয়ে পড়েছেন। গত এক সপ্তাহ যাবত্ এই সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ। এমতাবস্থায় মানুষের ভোগান্তি চরমে। সড়ক দুটি বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাজারগুলোতে দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়েই যাচ্ছে। এতে জনজীবনে এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। তাছাড়া, ঈদুল আজহা পালনে ১০টি গ্রামের মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। হাজিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চু জানান, জনভোগান্তি দূর করতে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী আব্দুস সামাদ জানান, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির অর্থবছরে বরাদ্দ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু হবে।
কটারকোনা ব্যবসায়ী ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন জানান, হাজিপুর-তুলকি-হাশিমপুর বর্ধিত করে মুক্তিযোদ্ধা সড়কের সঙ্গে সংযোগ দিলে এবং কটারকোনা-কাউকাপন সড়কের শহিদ আরজু গেট থেকে কাউকাপন ভায়া দেওয়ান হাফিজ মাজার সড়কগুলো পাকাকরণ করা হলে উভয় ভাঙনের পাশে বিকল্প সড়ক চালু হলে জনগণের ভোগান্তি দূর হবে।
