বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল স্কুলছাত্রী

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০১৯, ২০:৪৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে ষষ্ঠ শ্রেণির স্কুলছাত্রী কাজল আক্তার কুসুম (১৩)। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়া পৌর এলাকার পশ্চিম মেড্ডার মিন্দালীপাড়ায় বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হয়ে বিয়ে ভেঙে দেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কনের মা হারিজা বেগমকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবে না মর্মে মুচলেকা আদায় করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম মেড্ডার মিন্দালীপাড়ার প্রবাসী মোকতার হোসেনের মেয়ে ও গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাইস্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী কাজল আক্তার কুসুমের সঙ্গে পৌর এলাকার ভাদুঘর গ্রামের বাহার মিয়ার ছেলে ফুলন মিয়ার (আসিফ) বিয়ের দিন ধার্য করা হয়। বৃহস্পতিবার এই বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো। সহপাঠীর বাল্যবিয়ের বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি গভর্নমেন্ট গার্লস হাইস্কুলের স্টুডেন্ট কাউন্সিলের সদস্যরা। বিষয়টি তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়াকে জানান। এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, গভর্নমেন্ট গার্লস হাইস্কুলের স্টুডেন্ট কাউন্সিলের সদস্যদের মাধ্যমে তিনি বাল্যবিয়ে অনুষ্ঠানের বিষয়টি জানতে পেরে বৃহস্পতিবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিয়ে বন্ধ করে দেন।

এ সময় উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা শরীফা বেগম, গভর্নমেন্ট গালর্স হাইস্কুলের শিক্ষক মো. গিয়াসউদ্দিন মৃধা এবং সদর মডেল থানার এ এস আই মো. সেলিম উপস্থিত ছিলেন।