জবাইয়ের পর কোরবানির পশুর পেটে বাচ্চা পাওয়া গেলে করণীয় কী?

আপডেট : ২৪ মে ২০২৬, ১৯:৫২

ঈদুল আজহার আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এ সময়টা যেসব মুসলমানের ওপর কোরবানি ওয়াজিব, তারা ব্যস্ত থাকে কোরবানির শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে।

আল্লাহর জন্য পশু উৎসর্গ দেওয়াকে কোরবানি বলে। কোরবানি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ ইবাদত। আল্লাহর রাসুল (সা.) কোরবানি করতে উৎসাহ দিয়েছেন। যারা সামর্থ্যবান তাদের জন্য ওয়াজিব। আর যারা করবেনা, তাদের রাসুল (সা.) ভর্ৎসনা করেছেন।

কোরবানির দিতে হয় অহিংস্র গৃহপালিত চতুষ্পদ জন্তু দিয়ে। শরিয়তে কোরবানি দেওয়ার ক্ষেত্রে উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা ইত্যাদি পছন্দের পশু। মহানবী (সা.) উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা ছাড়া অন্য কোনো পশু কোরবানির অনুমোদন দেননি। তাই এসব পশু দিয়েই কোরবানি করতে হবে। পশুর ক্ষেত্রে সুস্থ ও ত্রুটিমুক্ত পশু নির্বাচন করা আবশ্যক। বড় ধরনের অসুস্থতা বা ত্রুটি আছে এমন পশু দিয়ে কোরবানি শুদ্ধ হয় না।

এখন প্রশ্ন জাগে, ‘জবাইয়ের পর কোরবানির পশুর পেটে বাচ্চা পাওয়া গেলে কী করব?’

এ প্রসঙ্গে ইসলামের বিধান হলো, কোরবানির পশু জবেহ করার পর তার পেটে জীবিত বাচ্চা পাওয়া গেলে তাকেও জবেহ করে দেবে এবং তার গোশতও খেতে পারবে। সদকাও করতে পারবে। আর কোরবানির পশু কেনার পর জবাইয়ের আগে তার বাচ্চা হলে সেই বাচ্চাকে জীবিত সদকা করে দেবে। কিন্তু যদি জবাই করে তার গোশত খেয়ে ফেলে তবে বাচ্চাটির মূল্য সদকা করে দিতে হবে। (খুলাসাতুল ফাতাওয়া: ৪/৩২২, আল মুহীতুল বুরহানী: ৮/৪৭১, ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ৫/৩০১, রদ্দুল মুহতার: ৬/৬২২)

ইত্তেফাক/এটিএন