নাহিদ রানাকে আমরা সামলাতে পারিনি: অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার

আপডেট : ১০ জুন ২০২৬, ০০:২৫

বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৮৬ রানে হারের পর স্বাগতিকদের পেস আক্রমণের প্রশংসা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার উইকেটকিপার-ব্যাটার অ্যালেক্স ক্যারি। বিশেষ করে নাহিদ রানার গতি ও বাউন্স সামলাতে না পারার কথা স্বীকার করেন তিনি।

মঙ্গলবার ২৮৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। ২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়ে। ১৫৬ রানে ৯ উইকেট হারানো দলটি শেষদিকে ক্যামেরন গ্রিনের পঞ্চাশোর্ধ ইনিংসে ১৯১ পর্যন্ত পৌঁছায়। এরপর বজ্রপাত ও বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হলে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ৮৬ রানে জয় পায়। নাহিদ রানা একাই নেন ৪ উইকেট।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ক্যারি বলেন, ‘আমাদের অনেক ব্যাটারের জন্য বাংলাদেশের পেসাররা নতুন ছিল। বিশেষ করে নাহিদ আজ আলাদা করে চোখে পড়েছে। এ ধরনের উইকেটে তার অতিরিক্ত গতি ও বাউন্স কার্যকর হয়েছে।’ তিনি যোগ করেন, ‘আমরা জানতাম তার গতি সম্পর্কে। কিন্তু সামনে দাঁড়িয়ে খেলা ভিন্ন অভিজ্ঞতা। সে লম্বা গড়নের, তাই বাড়তি বাউন্স পায়।’

দুই দলের পেস আক্রমণের তুলনা টেনে ক্যারি বলেন, শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররাও ভালো বল করেছেন এবং কয়েকটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবে সেগুলো কাজে লাগানো যায়নি। ‘ফিল্ডিংয়ে আরও নিখুঁত হতে হবে। আমাদের ব্যাটাররা এখন তাদের পেস ও স্পিন আক্রমণ দেখেছে। দ্রুত শেখা এবং মানিয়ে নেওয়াই এখন গুরুত্বপূর্ণ,’ বলেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার বেশিরভাগ ব্যাটারই এবার প্রথমবারের মতো নাহিদের মুখোমুখি হয়েছেন। ক্যারির ভাষায়, ‘সে সত্যিই ভালো বোলিং করেছে। আমরা জানতাম কী আসছে, তবু সামলাতে পারিনি। সামনে আরও দুই ম্যাচ আছে। বৃহস্পতিবার ও রোববার আবার তার বিপক্ষে খেলব। আশা করি তখন ভালোভাবে মোকাবিলা করতে পারব।’

ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক জস ইংলিসকে আউট করার পর নাহিদের উদযাপন এবং দুজনের কথার লড়াই নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এ প্রসঙ্গে ক্যারি বলেন, ‘ক্রিকেটে এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকতেই পারে। সীমা অতিক্রম না করলে এটি খেলাটিরই অংশ। ঠিক কী কথা হয়েছে, তা জানি না।’

ক্যারি আরও বলেন, ‘দ্রুতগতির বোলারদের কাছ থেকে এমন আগ্রাসন প্রত্যাশিত। আমরা তার ভিডিও দেখেছিলাম, দ্বিতীয় স্পেলে সে যেভাবে বল করেছে সেটাও অনুমেয় ছিল। তবে মাঠে তা মোকাবিলা করা কঠিন ছিল। পরের ম্যাচগুলোতে আমরা পরিস্থিতি বদলাতে চাই।’

ইত্তেফাক/এনএন