বিকালে ফাঁকা
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে শনিবার ভোর থেকে ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। লঞ্চ, ফেরি আর সিবোটে যাত্রীরা পারাপার হয়েছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। লঞ্চগুলো অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঘাট ছেড়েছে। ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় ছিল অন্তত শ চারেক যান। সকালের দিকে যাত্রীর ঢল থাকলেও বিকেলে ঘাট ছিল মোটামুটি ফাঁকা। ঘাটে ছিল না যানবাহনের তেমন চাপ। ঘাটে পণ্যবাহী ৬০/৭০টি ট্রাকসহ দেড় শতাধিক গাড়ি পারাপারের অপেক্ষায় ছিল। ঢাকা থেকে শিমুলিয়া ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে আসা বাসগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল শনিবার সকালে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারের জন্য বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ রো রো ফেরি এনায়েতপুরী, বীর শ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর, শাহ-পরান, শাহ-মকদুমসহ মোট ১৭টি ফেরি সচল রাখলেও কিছুতেই যেন কমছিল না যানবাহনের চাপ। ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় থাকা ৪ শতাধিক যানের মধ্যে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটর সাইকেলের সংখ্যাই ছিল বেশি। তবে দুপুরের পর থেকে ঘাটের চিত্র পালটে যেতে থাকে। বেলা পড়ার সাথে সাথে ঘাট হয়ে পড়ে যানজটমুক্ত। যাত্রীর সংখ্যা একেবারে কমে যায়।
এসব তথ্য দিয়ে বিআইডব্লিউটিসির ম্যানেজার আব্দুল আলিম জানান, বর্তমানে মোট ১৭টি ফেরি দিন রাত সার্ভিস দিচ্ছে। এছাড়া রয়েছে ৮৮টি লঞ্চ ও প্রায় সাড়ে ৩শ’ সিবোট চলাচল করছে নৌরুটে। ফেরিসহ লঞ্চ, সিবোটগুলো কাঁঠালবাড়ি ঘাটে আনলোড করার পর খালি চালিয়ে চলে আসছে এসব অপেক্ষমান যানবাহন পারাপারের জন্য। অপরদিকে বিআইডব্লিউটিএর বন্দর কর্মকর্তা মো. শাহ আলম মিয়া জানান, যাত্রীদের পারাপারের সুবিধার্থে বিআইডব্লিউটিএ ছাড়াও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ম্যাজিস্টেট, পুলিশ, র্যাব, কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিস, আনসার, রোভার স্কাউট ও মেডিক্যাল টিম ঘাটে সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করছে। তবে যাত্রীদের চাপ একটু বেশি রয়েছে।
