জামিনে বেরিয়ে একের পর এক ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৫

আপডেট : ১৫ জুন ২০২৬, ২১:৫৬

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ফেঞ্চি মিল্ক অ্যাণ্ড এগ্রো ফ্যাক্টরিতে নৈশপ্রহরীদের হাত-পা বেঁধে ডাকাতির ঘটনায় দুর্ধর্ষ ৫ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে তাদের সিরাজগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর থানার পাকড়তলা গ্রামের সাদেক আলী ওরফে মোকাদ্দেস (৬২), তার ছেলে  হৃদয় হাসান (২৬), শাহজাদপুর থানার বাওসাগরি (বাসামারা) গ্রামের মো. সুজন (৩১), নাটোর জেলার সিংড়া থানার সোনাপুর গ্রামের মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে সবুজ (৩১) এবং সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার গোপরেখী পশ্চিম পাড়ার মো. ইমদাদুল হক (৪৩)।

কামারখন্দ থানা পুলিশের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে কামারখন্দ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং গত ২৭ মে উপজেলার চৌবাড়ী গ্রামে অবস্থিত ফেঞ্চি মিল্ক অ্যাণ্ড এগ্রো ফ্যাক্টরিতে দায়িত্বরত নৈশপ্রহরীদের হাত-পা বেঁধে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এসসব ঘটনায় গ্রেপ্তারদের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

কামারখন্দ থানা ছাড়াও আসামি হৃদয়, সুজন, এমদাদুল ইতোপূর্বে নাটোরের সুগার মিলে ডাকাতি, মোহনপুরের কেশরহাটের কোল্ড স্টোরেজে ডাকাতি, গোদাগাড়িতে ডাকাতি এবং সাভারের ধামরাই থানার ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার ছিল। তারা আদালত থেকে জামিন নিয়ে আবারও ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়ে।

কামারখন্দ থানার ওসি হাশমত আলী জানান, শনিবার দিবাগত রাত ১টা থেকে রবিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত নাটোরের সিংড়া থানা এবং সিরাজগঞ্জের বেলকুচি থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আসামি সাদেক আলী ওরফে মোকাদ্দেসের নামে ৫টি, হৃদয়ের নামে ৭টি, ইমদাদুলের নামে ৫টি, সুজনের নামে ১৩টি ডাকাতি ও চুরি মামলা, সবুজের নামে ৫টি চুরি, ডাকাতির চেষ্টা ও অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

ওসি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে আসামি সাদেক কামারখন্দ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ডাকাতি, নাটোর সুগার মিলে ডাকাতি, মোহনপুরের কেশরহাটের কোল্ড স্টোরেজে ডাকাতি, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানার পপুলার পলিথিন কারখানায় ডাকাতিসহ আরও অনেক ডাকাতিতে অংশগ্রহণের কথা স্বীকার করে।

ইত্তেফাক/এপি