কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার বিকৃত ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় আইনি সুরক্ষা চেয়ে মুম্বাই হাই কোর্টের শরণাপন্ন হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। মেটা ও গুগলসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তার একাধিক ‘ডিপফেক’ ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর অভিনেত্রী এই কঠোর পদক্ষেপ নিলেন।
আদালতে প্রীতি জিনতা অভিযোগ করেন যে, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা এসব ভুয়া ছবি ও ভিডিও তার সামাজিক ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করছে। এ ধরনের অনৈতিক ব্যবহারের মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার এবং কপিরাইট আইন লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ১৯৫৭ সালের কপিরাইট আইনের অধীনে নিজের নৈতিক অধিকার রক্ষার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
বিচারপতি অভয় আহুজার একক বেঞ্চ প্রীতি জিনতার অভিযোগটি আমলে নিয়েছেন। আদালত তাকে ব্যক্তিগত অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সুনির্দিষ্টভাবে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন।
প্রযুক্তির অপব্যবহারের বিরুদ্ধে এটি বলিউডের নতুন কোনো আইনি পদক্ষেপ নয়। এর আগেও অমিতাভ বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের মতো তারকা অভিনেতারা তাদের অনুমতি ছাড়া ছবি, নাম ও কণ্ঠস্বর ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। বর্তমানে প্রীতি জিনতা তার আসন্ন চলচ্চিত্র ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’-এর প্রচারণায় ব্যস্ত থাকলেও নিজের ব্যক্তিগত সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষায় এআই-জনিত জালিয়াতির বিরুদ্ধে সক্রিয় অবস্থান নিয়েছেন।

