দিন যত ঘনিয়ে আসছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে তত কৌতূহল জাগছে। মনোনয়ন পাওয়া দুইজনের কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি। শুধু নেতাকর্মীই নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রার্থী নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে হাট-বাজার, চা-স্টল, ঘাটে-মাঠে। ভূঞাপুর ও গোপালপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-২ আসনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ দুইজনকে মনোনয়নপত্র দিয়েছেন। এরা হলেন, বর্তমান সংসদ সদস্যের পুত্র ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল এবং জেলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির। মনোনয়ন পাওয়া দুইজন এই আসনে নতুন মুখ সংসদ নির্বাচনে। বর্তমান সংসদ সদস্য খন্দকার আসাদুজ্জামান নির্বাচনে বাদ পড়েছেন। এই দুই প্রার্থীদের অনুসারীরা মনোনয়নপত্র পাওয়ার আগে এবং পরেই পৃথক পৃথকভাবে নির্বাচনী এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। দুই প্রার্থীর নেতাকর্মীরা প্রতিনিয়ত বিক্ষোভ মিছিল, মৌন মিছিল, উঠান বৈঠক করে যাচ্ছে। অন্যদিকে কেন্দ্র থেকে দুইজনকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীরা দুইভাগে বিভক্ত হয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের মনোনীত প্রার্থীদের হয়ে। এতে কোন্দলে জড়িয়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের দুইপক্ষ।
এদিকে বেশ কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের কাছে খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেলের জন্য নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছে তার স্ত্রী খন্দকার সাজেদা জামান, তার দুই ছেলে বিশাল জামান ও বিনয় জামান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা পর্যায়ের আওয়ামী লীগের অনেকেই জানান, নির্বাচন ঘনিয়ে আসলেও দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়ায় হতাশ তারা। প্রত্যাহারের আগে এই সময়টা প্রার্থীর জন্য মাঠ গোছানোর সঠিক সময়। অথচ এই সময় দুই প্রার্থীর জন্য নেতাকর্মীরা বিভক্ত হয়ে প্রচার-প্রচারণা করছে। একপক্ষ আরেক পক্ষের প্রতিপক্ষ হচ্ছে। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। কবে একক প্রার্থী ঘোষণা হবে সেই প্রত্যাশায় নেতাকর্মীরা।
