অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু দেশে ভয়াবহ হারে বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে ১৫তম দিনের লিখিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন জানতে চেয়েছিলেন, দেশে ভয়াবহ হারে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু বেড়েছে কি না এবং তা সত্য হলে জীবাণু শনাক্তকরণ কিট তৈরির কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না।
জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হ্যাঁ, এটি সত্য যে দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ও অতিরিক্ত ব্যবহার, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং মানব ও প্রাণী খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের ফলে এ সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে এবং চিকিৎসা কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে উঠছে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ওয়ান হেলথ’ পদ্ধতির আওতায় মানব, প্রাণী এবং পরিবেশ খাতে সমন্বিতভাবে কাজ শুরু হয়েছে। দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আধুনিক মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবরেটরি স্থাপন ও সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে, যাতে খুব দ্রুত জীবাণু শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
মন্ত্রী জানান, অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছা ব্যবহার রোধে জনসচেতনতা তৈরির কার্যক্রম চলমান আছে। কার্যক্রমগুলোর মাধ্যমে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধী জীবাণুর শনাক্তকরণ, নজরদারি এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

