রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে রাতভর চলা পাল্টাপাল্টি হামলায় আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে যুদ্ধক্ষেত্র। রাশিয়ার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, দক্ষিণ ইউক্রেনের মিকোলাইভ এলাকার একটি বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনীর দুটি ‘মিগ-২৯’ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একটি বিমান রানওয়ের পাশে থাকা অবস্থায় এবং অপরটি বাঙ্কারের ভেতরে জ্বালানি নেওয়ার সময় হামলার শিকার হয়। মস্কো হামলার ভিডিও প্রকাশ করে বলেছে, লক্ষ্যবস্তু সফলভাবে ধ্বংস হয়েছে।
একই দিনে ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে রাশিয়ার হামলায় অন্তত দুজন নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে ইউক্রেন দাবি করেছে, তারা দূরপাল্লার ফ্লেমিঙ্গো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়ার ভলগোগ্রাদ অঞ্চলের টাইটান বারিকাদি শিল্প কমপ্লেক্সে হামলা চালিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ওই স্থাপনায় কামান ব্যবস্থা ও ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম তৈরি হয়।
এছাড়া ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোয় আবারও দূরপাল্লার ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। কিয়েভ জানিয়েছে, রাশিয়ার যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা কমাতেই জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে টার্গেট করা হচ্ছে।
ইউক্রেনের দীর্ঘপাল্লার ড্রোন হামলা বেড়ে যাওয়ায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দেশের নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। ক্ষমতাসীন ইউনাইটেড রাশিয়া পার্টির কংগ্রেসে তিনি বলেন, দেশের নিরাপত্তা, নাগরিকদের সুরক্ষা এবং সীমান্তের অখণ্ডতা রক্ষায় সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে।
পুতিন আরও আশা প্রকাশ করেন যে, রুশ ভূখণ্ড ও অবকাঠামোর ওপর যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ রাশিয়া সফলভাবে মোকাবিলা করবে।
সূত্র: মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন

