মালদ্বীপের ক্লাবও খেলবে চট্টগ্রামের শেখ কামাল ফুটবলে

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৯, ২০:২৬

স্পোর্টস রিপোর্টার

অক্টোবরে চট্টগ্রামে হতে যাওয়া শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবলে খেলবে মালদ্বীপের টিসি ফুটবল ক্লাব। এই দলটি এরই মধ্যে টুর্নামেন্টের আয়োজকদের কাছে অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে জানা গেছে। টুর্নামেন্টের সমন্বয়ক শাকিল মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন মালদ্বীপের ক্লাবটি জানিয়ে দিয়েছে তারা খেলতে আসবে।

মালদ্বীপের শীর্ষ লিগের গত আসরের চ্যাম্পিয়ন ট্রাস্ট অ্যান্ড কেয়ার ফুটবল ক্লাব (টিসি স্পোর্টস ক্লাব)।

মালদ্বীপের এই ক্লাবটি শেখ কামাল টুর্নামেন্টের বর্তমান আসরের চ্যাম্পিয়ন দল। তারা খেলবে সেটি আগেই নিশ্চিত ছিল বলে জানিয়েছেন শাকিল মাহমুদ চৌধুরী।

প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে ভারতের তিন ক্লাব ইস্ট বেঙ্গল, মোহামেডান এবং মোহনবাগানের কাছ থেকেও। শাকিল জানিয়েছেন কলকাতার তিন ক্লাব বাংলাদেশে খেলতে আসবে। তবে ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন হতে সবুজ সংকেত পেতে হবে। শাকিল বলেন,‘ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন হতে সবুজ সংকেত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন কলকাতার ক্লাবগুলোকে তাদের নিজেদের দেশের সবুজ সংকেত পেলেই আমাদেরকেও জানিয়ে দেবে।’ তিনি বলেন,‘এই একটা বিষয় বাদ দিলে কলকাতার তিন ক্লাবই চূড়ান্ত বলা যায়।’

১৮ অক্টোবর শুরু করে ৩০ অক্টোবর শেখ কামাল ক্লাব কাপ ফুটবল শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিদেশি ৪ দলের সঙ্গে বাংলাদেশ হতে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস, রানার্সআপ আবাহনী এবং টুর্নামেন্ট আয়োজক চট্টগ্রাম আবাহনী খেলবে। অথচ এই টুর্নামেন্টের বিষয়ে যখন বাফুফে সভায় আলোচনা হয় তখন আয়োজকদের পক্ষ হতে বলা হয়েছিল ঢাকার ক্লাব মোহামেডানও খেলবে। এখন আয়োজকরা মোহামেডানকে রাখছে না। আমন্ত্রণও পায়নি মোহামেডান। অথচ মোহামেডান প্রথম টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল খেলেছিল। কাগজে কলমে শক্তিটা কম কলে সাংগঠনিক ভাবে মোহামেডান বড়ো দল এবং সমর্থক নির্ভর দল। মোহামেডান সূত্রে জানা গেছে, তারা শেখ কামাল টুর্নামেন্ট খেলতে রাজি। কিন্তু আমন্ত্রণ পায়নি বলে হতাশ হয়েছেন ক্লাব সংগঠকরা। কেন মোহামেডানকে নেওয়া হয়নি সে বিষয়ে টুর্নামেন্টের প্রধান সমন্বয়ক রুহুল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।

এবারের প্রিমিয়ার লিগে পয়েন্ট টেবিলে চট্টগ্রাম আবাহনী (২৪ খেলায় ৫ জয়, ১০ ড্র, ৯ হার, ২২/২৬, পয়েন্ট ২৫) এবং মোহামেডান (২৪ খেলায় ৬ জয়, ৭ ড্র, ১১ হার, ৩১/৪০, পয়েন্ট ২৫) সমান পয়েন্ট পেয়েছে। চট্টগ্রাম আবাহনীর চেয়ে মোহামেডানের জয়ের সংখ্যা বেশি। মোহামেডান ৫ গোল বেশি হজম করেছে। তাতেই মোহামেডান উপেক্ষিত হলো মোহামেডান।