মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে নিখোঁজের ৫০ দিন পর আওলাদ হেসেন (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ মিলেছে বাড়ির পাশের রান্নাঘরের নিচে। সেখানে তাকে পুঁতে রাখা হয়েছিল।
এ ঘটনায় স্ত্রীসহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে জৈনসার ইউনিয়নের চাইন পাড়া গ্রামে মাটি খুড়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, গত ৯ মে আওলাদ হোসেন নিখোঁজ হলে ২৩ মে আওলাদ হোসেনের ভাই সিরাজদিখান থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপরও দীর্ঘদিন ধরে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
পরবর্তীতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আওলাদ হোসেনের ভায়রা খায়ের বেপারীর বাড়ির রান্নাঘরের মাটির প্রায় ১০ ফুট নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, ব্যক্তিগত জীবনে আওলাদ হোসেন দুই বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রী নাজমা বেগম মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় স্ত্রী সম্পত্তি লিখে নেয়ার জন্য আওলাদ হেসেনকে চাপ সৃষ্টি করে। আওলাদ হোসেন সম্পত্তি স্ত্রীকে লিখে না দেয়ায় সাইফুল নামে একজনের সহায়তায় পরিকল্পিতভাবে স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ মাটির নিচে পুঁতে রাখেন দ্বিতীয় স্ত্রী।
এ বিষয়ে আজ বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে পুলিশের প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানোর কথা রয়েছে।পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে আটকরা দায় স্বীকার করেছেন।

