আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণ করেও গোলের দেখা পাচ্ছিলো কোনো দল। ম্যাচের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গোল করে বসে স্পেন। সেই গোলেই কপাল পুড়েছে পর্তুগালের। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে হেরে গেছে পর্তুগিজরা।
এই জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিলো স্পেন। আর শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হলো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে।
ম্যাচের ৯ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ আসে স্পেনের সামনে। কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল বাইরে মারেন মিকেল ওইয়ারসাবা। এরপর ১২ মিনিটে ডি বক্সের ভেতর থেকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নেওয়া জোরালো শট ঠেকিয়ে দিয়েছেন উনাই সিমন।
ম্যাচের ১৭ মিনিটে পর পর দুইবার পর্তুগালের পোস্টে শট নেয় স্পেন। তবে ডাবল সেভে দলকে রক্ষা করেন পর্তুগিজ গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা।

এরপর ম্যাচের ৩৯ মিনিটে প্রায় গোল পেয়েই গিয়েছিলেন রোনালদো। জোয়াও ফেলিক্সের হেড স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমন ফিরিয়ে দেন। এরপর বক্সের ভেতর দারুণ একটি অ্যাক্রোবেটিক প্রচেষ্টা নেন রোনালদো। তবে সেটিও ঠেকিয়ে দেন সিমন। এতে গোলশূন্য সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দু'দল।
বিরতি থেকে ফিরেও আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলা চলতে থাকে। তবে প্রতিবারই গোলের দেখা পেতে ব্যর্থ হয়। এরপর ম্যাচের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটেই গোলের দেখা পায় স্পেন। ফেরান তোরেসের পাস থেকে বল জালে জড়ান মিকেল মারিনো।
পিছিয়ে পড়ে বাকী সময় চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় পর্তুগাল। শেষ পর্যন্ত হার মেনেই মাঠ ছাড়তে হয়ে তাদের। এই ম্যাচ দিয়ে রোনালদোর বিশ্বকাপ স্বপ্নেরও ইতি ঘটলো।

