টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারে ৪০টি গ্রাম প্লাবিত

আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২৬, ২২:১৯

অতি বৃষ্টির কারণে মৌলভীবাজার জেলার সব নদ-নদীতে পানি বেড়েছে। বিপৎসীমার উপর দিয়ে কুশিয়ারা, মনু, ধলাই ও জুড়ী নদের পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পাশাপাশি মনু নদীর রাজনগরের দুটি পয়েন্ট, কুলাউড়ার একটি পয়েন্টে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। এতে মৌলভীবাজারের অন্তত ৪০টি গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) বিকেল পর্যন্ত জেলার নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।

শ্রীমঙ্গলস্থ আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৯১ মিলিমিটার, বুধবার বিকাল ৬টা পর্যন্ত ৭৯ মিলিমিটার এবং বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা  রাজনগর উপজেলার  টেংরা ইউনিয়নের উজিরপুরে মনু নদীর বাঁধ ভেঙে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। হরিপাশা, উজিরপুর, কান্দিরকুল, একামধু ও গনেশপুরসহ আশপাশের গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার সকলকে নিরাপদ স্থানে সব কিছু সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। মনু নদীর পানি বাড়ছেই রজিনগর উপজেলার ভাঙ্গারহাট এলাকায় বাঁধ-লেভেলে পৌঁছেছে নদীর পানি। এতে বিভিন্ন ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। 

বর্ষণের কারণে পাহাড়ি ঢল নেমে কমলগঞ্জের মাধবপুর ভাযা শ্রীমঙ্গলে যাতায়াতের সড়কে নুরজাহান চা বাগানের গোয়াবাড়ি নামকস্থানে একটি কালভার্ট ধসে পড়েছে। এছাড়া আদমপুর-ইসলামপুর সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটে।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন ওয়ালিদ বলেন, ধলাই নদীর মখাবিলে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভারতীয় বিএসএফের বাঁধার কারণে মখাবিলের এই অংশটুকুতে কাজ করানো সম্ভব হয়নি।  

ইত্তেফাক/এপি