এএফসি কাপ ফুটবলে খেলতে উত্তর কোরিয়ার এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভ ক্লাব আগেভাগেই বাংলাদেশে আসছে। আবাহনীর বিপক্ষে খেলা হবে ২১ আগস্ট।
ফিরতি খেলা হবে ২৮ আগস্ট কোরিয়ার রাজধানী পিয়ং ইয়ং শহরে। আগামীকাল ১৭ আগস্ট ঢাকায় পৌঁছাবে কোরিয়ান ফুটবল ক্লাব। অন্তত চার দিন আগে কোরিয়ান ক্লাব ঢাকায় আসবে।
কারণ, কোরিয়া হতে ফ্লাইট সবসময় পাওয়া যাচ্ছে না। আর দুই দিন আগে ফ্লাইট ধরলে বিভিন্ন রুট হয়ে ঢাকায় যখন পৌঁছাবে ততক্ষণে ম্যাচের সময় পাবে না। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ জানিয়েছেন চার পাঁচ দিন আগেই আসতে হচ্ছে কোরিয়ান ক্লাবকে। আবাহনী এবং উত্তর কোরিয়ার এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভ এএফসির ইন্টার জোনাল সেমিফাইনাল ম্যাচ খেলবে।
‘হোম এন্ড অ্যাওয়ে’ ম্যাচ খেলে যারা এগিয়ে থাকবে তারা জোনাল ফাইনাল খেলার সুযোগ পাবে। আবাহনী সেই সুযোগের অপেক্ষায়। ঈদের ছুটি কাটিয়ে আবাহনীর ফুটবলাররা পনুরায় অনুশীলনে নেমেছে। পরশু হতেই অনুশীলন মাঠে আবাহনী। বৃষ্টি ভেজা মাঠ আবাহনীর ফুটবলারদের জন্য সমস্যা হলেও তারা পরিস্থিতি মেনে নিয়ে অনুশীলন করছে।
পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমস উত্তর কোরিয়ার আক্রমণ ঠেকাতে জানপ্রাণ কাজে লাগিয়ে ডিফেন্স লাইন সাজাতে চেষ্টা করছেন। কোরিয়ান ক্লাব আবাহনীর চেয়েও শক্তিশালী। সেটা তারা সরাসরি মুখে না বললেও আলোচনায় ফুটে উঠে। রক্ষণদুর্গ সামাল দিতে লিগে ছিলেন আফগান ফুটবলার মাসিহ সাইঘানি। এই ডিফেন্ডার শুধু রক্ষণভাগেই আবাহনীকে সামাল দেননি। সঙ্গে আক্রমণভাগেও দারুণ লড়াই করে গেছেন।
এএফসি কাপ ফুটবলের প্রথম পর্বে দুটি ম্যাচ জিতিয়েছেন গোল করে। তার দুই গোলের কারণে আজ আবাহনী ইন্টার জোনাল সেমিফাইনাল খেলার সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য হচ্ছে আবাহনী এই ফুটবলারকের রাখতে পারেনি। ঘরের মধ্যে আফগান ফুটবলারকে নিয়ে গেল ভারতের আইএসএলের দল চেন্নাই।
আবাহনী যখন চেষ্টা করতে গেছে ততক্ষণে মাসি সাইঘানির ফেরার পথ বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ দরজা খুলতে আবাহনী চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সাড়া পায়নি। এখন এএফসি কাপের জন্য চার ফুটবলার নিয়ে কাজ করছে আবাহনী। এদের মধ্যে নাইজেরিয়ান সানডে, হাইতির বেলফোট ও নতুন আসা কোরিয়ান ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার লি তাই এবং মিশরীয় ডিফেন্ডার ইসাকে নিয়েই আবাহনীর পরিকল্পনা। এই দল নিয়েই আবাহনী জয়ের জন্য মাঠে নামতে চায়। আবাহনীর ফুটবল ম্যানেজার সত্যজিত দাস রুপু সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন।
