দেশের তিনটি নদীর তিনটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে কয়েকটি নদীর একাধিক পয়েন্ট সতর্কসীমায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, গাইবান্ধার তারাপুর পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি ২৩ সেন্টিমিটার এবং নেত্রকোণার কলমাকান্দা পয়েন্টে সোমেশ্বরী নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি পানি পরিমাপ কেন্দ্রের মধ্যে ৬৩টিতে পানি বেড়েছে, ৬২টিতে কমেছে এবং দুটি কেন্দ্রের পানি অপরিবর্তিত রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের ত্রিপুরার কুমারঘাটে সর্বোচ্চ ১৩৩ মিলিমিটার এবং বাংলাদেশের সুনামগঞ্জের মহেশখোলায় সর্বোচ্চ ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে সুনামগঞ্জের ছাতক ও মারকুলি পয়েন্টে সুরমা নদী, নীলফামারীর ডালিয়া ও রংপুরের কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদী, কুড়িগ্রামের পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমার নদী, নেত্রকোণার খালিয়াজুরি পয়েন্টে ধনু নদী, মৌলভীবাজারের শেরপুর ও সিলেট পয়েন্টে কুশিয়ারা নদী এবং ফেনীর হরিপুর পয়েন্টে মুহুরী নদীর পানি সতর্কসীমায় রয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকার নদ-নদীর পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

