যশোরে গ্রীষ্মকালীন বাঁধাকপি চাষে চাষিদের সাফল্য

আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০১৯, ২১:২২

শীতকালের সবজি বাঁধাকপি গ্রীষ্মকালে চাষ করে ব্যাপক লাভের আশা করছেন যশোরের চাষিরা। জেলার বিভিন্ন এলাকায় চলতি মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন এ বাঁধাকপির চাষ হয়েছে। শীতের সবজি অসময়ে বাড়তি দামে বিক্রি করে কৃষকরা ব্যাপক লাভবান হবেন বলে আশা করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর বাঁধাকপির ভালো ফলন হয়েছে।

সবজি উত্পাদনের রাজধানী যশোরের সদর উপজেলার খয়েরতলা, শানতলা, চুড়ামনকাটি, আব্দুুলপুর এলাকার রাস্তার পাশে মাঠে তাকালেই মনে হবে যেন এখন শীত মৌসুম। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়েই এখানে চাষ হয়েছে শীতের জনপ্রিয় সবজি বাঁধাকপির। এসব খেতের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা।

চাষিরা জানান, চলতি মৌসুমে যশোরাঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বাঁধাকপির ফলন ও গঠন ভালো হয়েছে। যে কারণে অসময়ের এ সবজি বাজারে নিয়ে ভালো দামে বিক্রির আশা করছেন তারা। চুড়ামনকাটির কৃষক আজিজুর রহমান বলেন, সাধারণত শীত মৌসুমে পর্যাপ্ত জমিতে বাঁধাকপিসহ অন্যান্য সবজির চাষ হয়। এ কারণে শীত মৌসুমে আমরা কপির ভালো দাম পাই না। অনেক সময় বাধ্য হয়ে পানির দরে বিক্রি করতে হয়। এসব দিক বিবেচনায় বেশি লাভের আশায় গ্রীষ্মকালে এ চাষ করেছি। সদর উপজেলার আব্দুুলপুর গ্রামের কৃষক হযরত আলী বলেন, শীত মৌসুমে অনেক সময় প্রতিপিস কপি একটাকা দরেও বিক্রি করতে হয়। তবে এখনকার কপি প্রতিটি ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি করতে পারব।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক সুশান্ত কুমার তরফদার বলেন, চলতি মৌসুমে যশোর জেলায় মোট ২০ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের সবজি আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে বাঁধাকপি চাষ হয়েছে ২০ হেক্টর জমিতে। তিনি বলেন, অসময়ে বাঁধাকপি চাষকে লাভজনক করে তুলতে কৃষককে কারিগরি সহায়তার পাশাপাশি নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।