আল্লাহ সাতক্ষীরায় জামায়াতের ঘৃণিত চেহারাটা দেখিয়ে দিলেন: আম্মার

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৮

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, জামায়াতকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা না দিলেও সাতক্ষীরা জেলায় প্রভাব বিস্তারের সুযোগ দিয়ে তাদের ভেতরের বাস্তব চিত্র প্রকাশ পেয়েছে।

পোস্টে সালাহউদ্দিন আম্মার লেখেন, ‘৩ বারের এমপি, সাতক্ষীরার মতো নির্যাতিত এলাকার মানুষের প্রতিনিধি হয়ে অনৈতিক কাজে জড়ানো। সাতক্ষীরা এলাকায় গেলে বুঝবেন মানুষ কতটা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। প্রায় প্রত্যেক পরিবারেই ফ্যাসিবাদের নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। জামায়াতকে আল্লাহ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা না দিলেও এই এক জেলায় পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে তাদের ভেতরের ঘৃণিত চেহারাটা দেখিয়ে দিলেন।’

তিনি আরও দাবি করেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলে নিজেদের নেতাদের বিষয়ে সমালোচনা করার সংস্কৃতি নেই।

তার ভাষায়, ‘নিজের নেতার বেলায় চোখ-মুখ বন্ধ রাখা এদেশের প্রায় প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের স্বভাব। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের ভেতরেই এক ধরনের অভ্যন্তরীণ কর্তৃত্ববাদ (ইন্টারনাল ডিক্টেটরশিপ) চলে। জামায়াতে ইসলামী থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো প্রভাবশালী নেতাকে কিছু লিখতে দেখা যায়নি।’

পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের পেছনে জনসমালোচনাই মূল ভূমিকা রেখেছে।

তিনি লেখেন, ‘বহিষ্কারের কৃতিত্ব তো সমালোচকদেরই। তারা সমালোচনা না করলে জামায়াতে ইসলামী তাকে বহিষ্কার করত—এমনটা আমারও মনে হয় না।’

সম্প্রতি স্যোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ব্যক্তিগত ভিডিওকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। পরে দলীয় তদন্তে তার বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।

ইত্তেফাক/পিএস