‘ব্যর্থতা মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু প্রতারণা নয়। কখনো শর্টকাটের পথ বেছে নেবে না বলে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে এক বার্তায় এ কথা বলেছেন ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার। তিনি জানান, আমার বাবা একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষক ও পথপ্রদর্শক ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি আমাকে এই শিক্ষা দিয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
শচীন টেন্ডুলকার বলেন, ‘সমাজের প্রাপ্তবয়স্কদের দায়িত্ব হলো এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে তোলা, যেখানে ফলাফলের চেয়ে পরিশ্রমকে বেশি মূল্য দেওয়া হবে। কারণ যে সমাজ শুধু ফলাফলকে অগ্রাধিকার দেয়, সেখানে মেধার পরিবর্তে শর্টকাটের প্রবণতা তৈরি হয়।’
তিনি বলেন, ‘আজ যখন শিক্ষার্থীরা অনুভব করে যে তাদের কঠোর পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি, তখন তাদের হতাশ হওয়া স্বাভাবিক। আমাদের সবার দায়িত্ব এমন পরিস্থিতি যেন আর তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করা।’
ভারতের তরুণ সমাজ স্বপ্ন ও উদ্যমে ভরপুর উল্লেখ করে, তাদের উৎসাহ ধরে রাখা এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা সমাজের প্রতিটি মানুষের- অভিভাবক, শিক্ষক, বন্ধু, স্বজন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনের সম্মিলিত দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন শচীন।
এই কিংবদন্তি আরও বলেন, ‘আমাদের এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে, যেখানে কঠোর পরিশ্রমের মূল্যায়ন হবে, সততাকে উৎসাহ দেওয়া হবে এবং মেধাই বিজয়ী হবে।’
বার্তার শেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমরা সবাই মিলে এমন সমাধান খুঁজে বের করব, যা আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎকে আরও শক্তিশালী করবে এবং তাদের স্বপ্নকে সুরক্ষিত রাখবে।’

