ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে টানা ১৩তম রাতের মতো বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী, যার ফলে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় খুজেস্তান প্রদেশে অন্তত চারজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানায় যে তারা আইআরজিসির কমান্ট সেন্টার, ড্রোন গুদাম, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও উপকূলাঞ্চলের নিরাপত্তা কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে। খুজেস্তান ছাড়াও লোরেস্তান ও হোরমোজগানসহ আরও ছয়টি প্রদেশে বিকট বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে বাহরাইনের শেখ ঈসা এবং জর্ডানের আল-আজরাক বিমান ঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন সেনা আবাসন, জ্বালানি ট্যাংক ও গুদাম লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানি বাহিনী।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি চূড়ান্ত করার কথা জানিয়েছেন। এর বিপরীতে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সতর্ক করেছেন যে এই হঠকারী আগ্রাসনের জন্য ট্রাম্পকে ভারী মূল্য দিতে হবে।
এরই মধ্যে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরে দুটি সৌদি তেলের ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে এবং সৌদি বন্দর অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত খনিজ তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশ্ব নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

