গৌরনদীতে কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০১৯, ২০:৫৫

গৌরনদী (বরিশাল) সংবাদদাতা

কোরবানির পশুর চামড়ার কম দাম ও চাহিদা না থাকায় বিপাকে পড়েছেন গৌরনদীর ব্যবসায়ীরা। দক্ষিণাঞ্চলের চামড়া বেচাকেনার মোকাম হিসেবে গৌরনদী উপজেলার টরকী বন্দর পরিচিত। চামড়া সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় চামড়া পচনের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ী সোলেমান হাওলাদার বলেন, জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে খুচরা বিক্রেতা (ফড়িয়ারা) চামড়া কিনে গৌরনদীর টরকী বন্দরে পাইকারী মোকামে চামড়া বিক্রি করেন। প্রতি বছর ঈদের দিনে কোরবানির পশু জবাই করার পর পরই ফড়িয়ারা হাজির হন চামড়া কেনার জন্য। কিন্তু এবার উলটো চিত্র দেখা গেছে। এবার কোনো মহাজনই চামড়া নেবেন না। কোরবানির পর পর ঢাকার ট্যানারির মালিকরা টরকী থেকে প্রতি বছর চামড়া ক্রয় করে নিজস্ব পরিবহনে চামড়া নিয়ে যায় ঢাকায়। এ বছর ট্যানারির কোনো মালিক না আসায় চামড়া নিয়ে দুঃচিন্তায় পড়েছি আমরা। চামড়ার দাম গত ত্রিশ বছরের তুলনায় এ বছর খুবই কম।

ব্যবসায়ী শওকত হাওলাদার বলেন, বড়ো গরুর চামড়ার দাম ৩০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা, মাঝারি আকারের চামড়ার দাম ২০০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা এবং ছোটো আকারের চামড়া ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছাগলের চামড়া কোনো দামেই বিক্রি হচ্ছে না।

চামড়া ব্যবসায়ী মো. ফিরোজ হাওলাদার ও সোহেল হাওলাদার বলেন, একটা চামড়া যদি বিনামূল্যেও ক্রয় করি, তারপরেও একটা চামড়ার পেছনে ৩০০ টাকা খরচ আছে। ট্যানারির মালিকদের কাছে চামড়া বিক্রি করতে গেলে তারা কোনো মূল্য বলেন না।