স্পোর্টস রিপোর্টার
তিনটি ওয়ানডে ও দুইটি চার দিনের ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশে এসেছে শ্রীলঙ্কা এমার্জিং দল। তাদের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডের জন্য গতকাল বাংলাদেশ এমার্জিং দল নামে এইচপি দলের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এই সিরিজের আগে বাংলাদেশ দলটির প্রধান কোচ সাইমন হেলমুট বলছেন, তার দলের খেলোয়াড়রা জাতীয় দলের জন্য নিজেদের তৈরি করবে এই খেলার ভেতর দিয়ে।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৮ ও ২১ আগস্ট বিকেএসপিতে প্রথম দুইটি ওয়ানডে খেলবে বাংলাদেশ। এরপর ২৪ আগস্ট খুলনায় অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় ওয়ানডে। ২৭ আগস্ট থেকে খুলনায় শুরু হবে প্রথম চার দিনের ম্যাচ। ৩ সেপ্টেম্বর থেকে কক্সবাজারে শুরু হবে দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচ।
এই সিরিজের আগে খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি নিয়ে হেলমুট বলছিলেন, ‘ছেলেরা ঈদের আগে অনেক ক্রিকেট খেলেছে। এরপর ছুটিতে ছিল। এখন জিনিসগুলো কাজে লাগানোর সময়। অবশ্যই নিজেদের উন্নতিটা ধরে রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ। এই অনূর্ধ্ব-২৩ পর্যায়ে খেলার সবচেয়ে ভালো দিক হলো—খেলোয়াড়দের জাতীয় দলের জন্য প্রস্তুত হওয়ার সুযোগ মেলে।’
সিরিজটাকে অপরিচিত খেলোয়াড়দের বিপক্ষে ভালো করার একটা সুযোগ হিসেবে দেখছেন হেলমুট, ‘আমি আমাদের শক্তি নিয়ে চিন্তিত নই। আমি চাই খেলোয়াড়রা অচেনা একটা আন্তর্জাতিক দলের বিপক্ষে পারফরম করার সুযোগ পাক। আপনি যখন জাতীয় দলে খেলবেন, আপনি তখন এরকম অপরিচিত প্রতিপক্ষ খুব একটা পাবেন না। আমরা চেনা কন্ডিশনে খেলব। কিন্তু যে বোলার, ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে খেলব, তাদের চিনি না।’
দলের কয়েকজন খেলোয়াড়ের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা থাকলেও সেটা বেশি নয় বলেই বলছিলেন কোচ, ‘এই ছেলেরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশ অনভিজ্ঞ। শান্ত কিছু ম্যাচ খেলেছে। ইয়াসির জাতীয় দলের আশেপাশে ছিল। আফিফ একটা টি-টোয়েন্টি খেলেছে। আমাদের এখন এই পর্যায়ে কর্তৃত্ব করা উচিত।’
সবমিলিয়ে হেলমুট নিজের দলের প্রস্তুতিতে বেশ সন্তুষ্ট, ‘হ্যাঁ, আমি সন্তুষ্ট। তবে তাদের আরো উন্নতি করতে হবে। তারা যখন আরো সুযোগ পাবে, আরো প্রস্তুত হয়ে উঠবে। তাদের এখন শারীরিক প্রস্তুতি দরকার, খেলা দরকার। তাদের এখন এমন প্রস্তুতি দরকার, যাতে জাতীয় দলে সুযোগ পেলে পরিবেশটা তাদের অপরিচিত মনে না হয়।’ হেলমুটের কাছে এই দলগুলোর যে কোনো খেলাই জাতীয় দলের প্রস্তুতির একটা অংশ। তিনি বলছিলেন, ‘আমরা যখনই ‘এ’ দল, এইচপি ম্যাচ, অনূর্ধ্ব-১৯ ম্যাচ খেলি, তখনই আমরা জাতীয় দলের প্রস্তুতির জন্য খেলি। তাতে প্রতিযোগিতা যেটাই হোক। ট্রেনিং, শারীরিক প্রস্তুতি সবকিছুই নেওয়া হয় জাতীয় দলকে লক্ষ্য রেখে। আমাদের যতদূর সম্ভব জাতীয় দলের জন্য কাজ করতে হবে। আমাদের মুশিকে সমর্থন করতে হবে, তামিমকে সমর্থন করতে হবে, সাকিবকে সমর্থন করতে হবে। এতে বাংলাদেশ দল শক্তিশালী হবে।’
শ্রীলঙ্কা এমার্জিং দলের বাংলাদেশ সফরকে সামনে রেখে মিরপুরে চলছে বাংলাদেশ এমার্জিং দলের অনুশীলন -ইত্তেফাক
