স্পোর্টস ডেস্ক
পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের কন্ডিশনিং ক্যাম্প চালানোর দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ উল হক। ১৭ দিনব্যাপী এই ক্যাম্পে মিসবাহর পদের নামটা হলো ‘ক্যাম্প কমান্ড্যান্ট’। আদতে কোচের অনুপস্থিতিটা পুষিয়ে নিতেই তাকে এই দায়িত্ব দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
মিসবাহকে এই ক্যাম্পে সাহায্য করবেন ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির (এনসিএ) কোচিং স্টাফ। বিশ্বকাপের ব্যর্থতার দায়ে সম্প্রতি নিজেদের কোচিং স্টাফদের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিসিবি। ফলে প্রধান কোচ মিকি আর্থার, বোলিং কোচ আজহার মেহমুদ, ব্যাটিং কোচ গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার ও ট্রেইনার গ্র্যান্ট লুডেন চাকরি হারিয়েছেন।
ক্যাম্পে অংশ নেবেন পিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ১৪ জনসহ মোট ২০ জন ক্রিকেটার। লাহোরের এনসিএ-তে ক্যাম্প শুরু হবে ১৯ আগস্ট। প্রথম দুদিন ফিটনেস টেস্ট হওয়ার পর ১৭ দিনব্যাপী চালানো হবে কন্ডিশনাল ট্রেনিং। মানে মূল ক্যাম্প শুরু হবে ২২ আগস্ট থেকে। চলবে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
পিসিবির আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বিষয়ক পরিচালক জাকির খান বলেন, ‘মিসবাহ উল হক পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল অধিনায়কদের একজন। সে বর্তমান সময়ের ক্রিকেটের ব্যাপারে ভালো ধারণা রাখেন।’ ৪৫ বছর বয়সী মিসবাহ পাকিস্তান দলের কোচ হতে পারেন—এমন একটা গুঞ্জন কদিন হলো বাতাসে ভাসছিল। যদিও তাকে আপাতত কাজ চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হলো।
চলতি মাসের শেষেই পিসিবি নতুন কোচ চেয়ে শিগগিরই বিজ্ঞাপন দেবে। পরবর্তী কোচ নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তান দলের কোচ মিসবাহই থাকবেন সেটিও স্পষ্ট করেছে পিসিবি। মূলত ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক মৌসুমকে সামনে রেখে ক্রিকেটারদের ফিট রাখতেই এই কন্ডিশনিং ক্যাম্প আয়োজন করেছে পিসিবি।
জাকির খান বলেন, ‘ক্যাম্পটি আয়োজন করা হচ্ছে মূলত ক্রিকেটারদের সামনের ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত করে তুলতে। যার শুরুটা হবে ১২ সেপ্টেম্বর কায়েদ-ই আজম ট্রফির মাধ্যমে।’
কাউন্টি দল সামারসেটের হয়ে নিজের মেয়াদ শেষ করা আজহার আলী পুরোটা সময়ই ক্যাম্পে থাকেন। কিন্তু কাউন্টি ক্রিকেটে ব্যস্ত আছেন আরো পাঁচ পাকিস্তানি ক্রিকেটার। তারা হলেন—বাবর আজম (সামারসেট), ফখর জামান (গ্ল্যামরগন), ইমাদ ওয়াসিম (নটিংহ্যাম্পশায়ার), মোহাম্মদ আব্বাস (লিস্টারশায়ার) ও মোহাম্মদ আমির (এসেক্স)। পিসিবি এই পাঁচজনকে কাউন্টিতেই মনোযোগ দিতে চলেছে। যদিও সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ফিটনেস ক্যাম্পে না থাকালেও কায়েদ-এ-আজম ট্রফির প্রথম রাউন্ডের ম্যাচগুলোতে অন্তত তাদের খেলতে হবে।
