ইত্তেফাক রিপোর্ট
মানুষের পরিচয় তার মানবিকতায়। জাতি কিংবা জন্ম পরিচয় ছাপিয়ে প্রতিটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। এ মর্মবাণীকে ধারণ করে নির্মিত নাটক ‘চন্দ্রবিন্দু’। নৈবেদ্য থিয়েটারের তৃতীয় প্রযোজনাটির ১৭তম মঞ্চায়ন হলো গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার স্টুডিও থিয়েটার হলে। সালাহ্উদদীন আহমেদ মিলটন রচিত নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন তরুণ নির্দেশক রাজীর রেজা।
সবার ওপরে ‘মানুষ’ এই বিষয়কে ঘিরেই ‘চন্দ্রবিন্দু’ নাটকের কাহিনী গড়ে উঠেছে। জাতি-ধর্ম বা জন্ম পরিচয় দিয়ে মানুষ বিবেচ্য নয়, সকলের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক মানুষ হিসেবে। মহাভারতের কর্ণ বা একলব্যকে যুগে যুগেই দেখা যায়। তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ চলে এখনো। আর চন্দ্রবিন্দু? সে বর্ণমালার এমন এক অংশ যে কখনো একা পূর্ণাঙ্গ নয়, নিজেকে প্রকাশ করতে প্রয়োজন অন্যের সহযোগিতা, তেমনই মানুষ, আর তাই তো সংসার। তবে সবাই কি তার কাঙ্ক্ষিত অবলম্বনটা পায়? আর পেলেও বা তা কতটুকু অর্থবহ হয়ে ওঠে—এমন প্রশ্ন ও তার জবাব খোঁজা হয়েছে নাটকে। বর্তমান সময় থেকে অনেকটা পেছনে গিয়ে চন্দ্র রাজ্যকে পটভূমি করে চন্দ্রবিন্দু নামক চরিত্রসহ বেশ কিছু চরিত্রের মধ্যদিয়ে কালে কালে চলে আসা প্রেম, আকাঙ্ক্ষা, মানুষ ও মানবতার যুদ্ধকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই নাটকের আশ্রয়ে।
নাটকে চন্দ্রবিন্দু চরিত্রে রূপ দিয়েছেন বিবি কানিজ। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিরাজুল হক, রাইমা, মৃণাল চৌধুরী, ইমরুল আল হাসান, রাজীব রেজা প্রমুখ।
