ইউক্রেনে রাশিয়ার ব্যাপক হামলা, নিহত অন্তত ১৪

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৩:২১

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির বড় ধরনের হামলার আশঙ্কার কথা প্রকাশের পরদিনই ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ব্যাপক বিমান হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। কিয়েভ, নিপ্রোপেত্রোভস্ক, পলতাভা ও লভিভ পর্যন্ত বিস্তৃত এই হামলায় একটি বহুতল ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।

হামলাগুলোর মধ্যে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের জন্মশহর ক্রিভি রিহে সবচেয়ে বড় আঘাত হেনেছে রাশিয়ার একটি ইস্কান্দার-এম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। সেখানে দুই শিশুসহ ৬ জন নিহত এবং ৮ জন আহত হয়েছেন। 

অন্যদিকে রাজধানী কিয়েভে ১ জন, নিপ্রোপেত্রোভস্কে ৬ জন এবং পলতাভায় ১ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। পোল্যান্ডের সীমান্তঘেঁষা লভিভ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২টি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ২৬ জন আহত হলে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে পোলিশ বাহিনী যুদ্ধবিমান পাঠায়।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায় যে তারা কিয়েভ থেকে লভিভ পর্যন্ত ইউক্রেনের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত এনেছে। এ ছাড়া ওডেসা বন্দরের কাছে অস্ত্রবাহী তিনটি মালবাহী জাহাজেও আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে মারো মস্কো।

যুক্তরাষ্ট্র সফর থেকে দেশে ফিরে সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ পোস্ট দিয়ে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানান যে ইউক্রেনীয়দের সুরক্ষা নিশ্চিতে মিত্রদের কাছ থেকে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাওয়া অত্যন্ত জরুরি। 

ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প ইউক্রেনকে পেট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির লাইসেন্স দিতে সম্মত হয়েছেন। আমেরিকা ও ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধের পর থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় পিএসি-৩ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে।

এদিকে একই দিন সকালে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার পেনজা শহরে শীর্ষ অনলাইন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ‘ওয়াইল্ডবেরিজ’-এর একটি গুদামে আগুন ধরে যায়। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সংস্থাটির বিরুদ্ধে রুশ সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের অভিযোগ তুললেও মস্কো তা অস্বীকার করেছে।

সূত্র: আল জাজিরা

ইত্তেফাক/টিএইচ