আন্দোলন ছাড়া বেগম জিয়াকে মুক্ত করার বিকল্প নেই :ফখরুল

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকে আমাদের সুসংগঠিত হতে হবে এবং আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বেগম জিয়াকে মুক্তি করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। তাই আসুন, আজকের এই দিনে আমরা বেগম জিয়ার দীর্ঘায়ু কামনা করব এবং তার মুক্তির জন্য নিজেদের সংগঠিত করে মুক্তির আন্দোলন করব—এই শপথ আজকে আমাদের হোক।

তিনি বলেন, সরকার বেগম জিয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে কারাগারে আটকে রেখেছে। কারণ আজকে যে অর্থনীতিকে পরনির্ভরশীল ও ফোকলা করে ফেলা হচ্ছে, সেটা তখন আর সম্ভব হতো না। আর একসময় পাটশিল্পকে ধ্বংস করা হয়েছে, আজকে চামড়াশিল্পকে ধ্বংস করা হচ্ছে। সুতরাং, বাংলাদেশকে পরনির্ভরশীল করার কাজগুলো সরকার এগিয়ে নিয়ে গেছে। এজন্য সরকার সবচেয়ে বড় চক্রান্ত করছে।

গতকাল নয়াপন্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে বিএনপি আয়োজিত এক মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে তার আশু সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় এই দোয়ার আয়োজন করে বিএনপি।

বেগম জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের ওপর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় যে, গণতন্ত্রের জন্য বেগম জিয়া এশিয়া মহাদেশে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকারকারী একজন নেতা। তিনি দীর্ঘকাল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছেন। তার রাজনৈতিক জীবনের শুরুটাই রাজপথে। তিনি স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশের পথে-প্রান্তরে জনগণকে সংগঠিত করেছেন।’

খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু ও রোগমুক্তি কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন ওলামা দলের নেতা মাওলনা রফিকুল ইসলাম।

এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান বেগম সেলিমা রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা এজেডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, শওকত মাহমুদ, নিতাই রায় চৌধুরী, জয়নুল আবেদিন ফারুক, রুহুল কবির রিজভী, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল,খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ফজলুল হক মিলন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, শিরীন সুলতানা, নিপুণ রায় , ইশরাক হোসেনসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।