ফরিদপুরে নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর ৯ বছরের শিশুর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৪৬

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর মাহমুদা আক্তার (৯) নামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার চরযশোরদী ইউনিয়নের তারাকান্দি গ্রামের রেললাইনের পাশের পারিবারিক কবরস্থানের নিকটবর্তী ঝোপঝাড় থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মাহমুদা ওই গ্রামের ইদ্রিস মোল্লার চার সন্তানের মধ্যে সবার ছোট।

পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল ৫টার দিকে মাহমুদা বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে রাত ৯টার দিকে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রেললাইনের পাশের ঝোপঝাড় থেকে শিশুটির বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের ভাবি শাহনাজ বেগম অভিযোগ করেন, মাহমুদার মরদেহ বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং তার পরনের পোশাকও সেখানে ছিল না। তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সন্দেহ প্রকাশ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

স্বজনদের একটি অংশের দাবি, খেলার সময় সৃষ্ট বিরোধ কিংবা যৌন নির্যাতনের ঘটনার জেরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

নগরকান্দা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ আল ফাহাদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতোমধ্যে দুজনকে আটক করা হয়েছে। সমবয়সী অন্য একটি শিশুর সঙ্গে খেলার সময় আঘাতজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে, নাকি যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

ইত্তেফাক/এএইচপি