গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় পৃথক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ৫১ জন নেতা-কর্মী দলীয় পদ ও সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তারা জানান, এখন থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাদের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই।
রোববার (২ আগস্ট) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মুকসুদপুর পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এসব সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পদত্যাগকারীরা দলীয় সব পদ-পদবী ও সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন মুকসুদপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল মোল্লা, সদস্য পলাশ মোল্লা, ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ, আওলাদ শেখ, আকরাম চৌধুরী, খোরশেদ মিয়া, সাইফুল শেখ, চাঁন শেখ, সিদ্দিক শেখ, সুমন মুন্সি, সালাম মোল্লা, হাসমত মোল্লা, ঠান্ডু শরীফ, শাজাহান মোল্লা, শাজাহান মৃধা, আবু সাইদ মিনা, মোহাম্মাদ শেখ, রশিদ শেখ, মফিজ শরীফ, হাসিব শেখ, সুমন শেখ, আমিরুল শরীফ, মাহাবুর শরীফ, মালেক শেখ, ফারুক মীর, তারেক মোল্লা ও আশরাফ আলী।
এ ছাড়া ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হান্নান শেখ, শাজন শিকদার, মামুন হাসান, সৈয়াদ শেখ, আবুল হোসেন (আবু), মাসুদ মুন্সী, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল হক, ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হেমায়েত ফকির ও সদস্য নাসিরুদ্দিনও পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
উজানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ হরিদাস বিশ্বাস, সহ-সভাপতি প্রণয় কর্মকার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহন বাঁশি পান্ডে, সদস্য নিপেন পান্ডে, বুদ্ধি কান্তি পান্ডে, মৃতুঞ্জয় পান্ডে, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক খিপু মোল্লা, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ইয়াদ আলী মোল্লা, মহারাজপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য সঞ্জিত দত্ত এবং গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য কালাচান দাসও পদত্যাগকারীদের তালিকায় রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারীরা বলেন, তারা আওয়ামী লীগের সব ধরনের পদ-পদবি ও সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজ থেকে দলের সঙ্গে তাদের আর কোনো সম্পর্ক নেই বলেও ঘোষণা দেন।

