তরুণীকে ধর্ষণকাণ্ডে লাহোরের গাজিয়াবাদ থানার সব পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ২১:৪৬

লাহোরে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা ঘটেছে। নগরীর গাজিয়াবাদ পুলিশ স্টেশনের ভেতরে এক সহকারী সাব-ইন্সপেক্টরের (এএসআই) বিরুদ্ধে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ওই থানার পুরো পুলিশ স্টাফকে একসঙ্গে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) গাজিয়াবাদ থানার ভেতরের একটি কক্ষে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ওই থানারই একজন এএসআই। ভুক্তভোগী তরুণীর বয়স প্রায় ২০ এবং তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অপ্রকৃতিস্থ।

লাহোর ডিআইজি (অপারেশনস) ফয়সল কামরান ডনকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ভুক্তভোগী তরুণী জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাদের সামনে থানার দোতলার নির্দিষ্ট রুমটি শনাক্ত করেছেন।

ডিআইজি বলেন, পুলিশ বিধি অনুযায়ী থানার ভেতরে কোনো অপরাধ বা অনিয়ম রোধ করার যৌথ দায়িত্ব পুরো স্টাফের। নারী পুলিশ সদস্য না থাকা সত্ত্বেও কেন এএসআই তরুণীকে থানায় নিয়ে এসেছিলেন, সে বিষয়ে কেউ কোনো প্রশ্ন করেননি। এই চরম দায়িত্বহীনতার কারণে থানায় নিয়োজিত ৭০ জনেরও বেশি পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার থানায় এফআইআর নথিভুক্ত হয়েছে। মামলাটি পাকিস্তান দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা (ধর্ষণ) এবং ২০০২ সালের পুলিশ অর্ডারের ১৫৫-সি ধারা (পুলিশ কর্মকর্তাদের অসদাচরণ) অনুযায়ী রুজু করা হয়েছে।

এফআইআরে বলা হয়েছে, রোববার দুপুরে মানসিকভাবে অপ্রকৃতিস্থ তরুণী বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন। খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে এক ব্যক্তি জানান, সাদা পোশাকে থাকা এক পুলিশকর্মী তাকে সঙ্গে নিয়ে গেছেন। রাত ৯টার দিকে পরিবার থানায় পৌঁছানোর আগেই মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে আসে এবং পুরো ঘটনা খুলে বলে।

সূত্র: ডন

ইত্তেফাক/এবিএস