সেন্টমার্টিন নিয়ে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মহাপরিকল্পনা রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদ

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৬

সেন্টমার্টিন নিয়ে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের একটা মহাপরিকল্পনা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের একটা সুপারিশ পেয়েছি। এ দ্বীপের প্রতিবেশ-পরিবেশ সুরক্ষা এবং দ্বীপের যে অস্তিত্ব ঠিকিয়ে রাখার স্বার্থে আমাদের সবকিছু করতে হবে। সবাইকে নিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে চাই। 

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ড স্টেশন গ্রাউন্ডে প্রধান অতিথি হয়ে ফলজ চারা রোপণের মাধ্যমে দ্বীপে বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেন্টমার্টিনে যারা বাস করছেন তারা দ্বীপেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের ব্যাপারটি আমাদের গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে। দ্বীপটা তারাই লালন করছে, ধারণ করছে। তাই বলা চলে দ্বীপের সঙ্গে তাদের একটা গভীর মমত্ব গড়ে উঠেছে। অনেক প্রতিকূলতার ভেতরে কিন্তু তারা দ্বীপে অবস্থান করছেন।

শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, সেন্টমার্টিন দেশের অনন্য প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ আধার। এখানে যারা বাস করছেন তারা দ্বীপেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দ্বীপটা তারাই লালন করছে, ধারণ করছে। দ্বীপের সঙ্গে তারা গভীর মমত্ব গড়ে তুলে প্রতিকূলতার ভেতরে দ্বীপে অবস্থান করছেন। ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের সাথে প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষাও আমাদের দায়িত্ব। শুধু সরকারের উপর নির্ভর না করে দ্বীপের পরিচ্ছন্নতা ও প্রকৃতি রক্ষায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসা সবার নৈতিক দায়িত্ব।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশদূষণের বিরূপ প্রভাব থেকে দ্বীপের  সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ, প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, রোপণ করা গাছগুলোর যথাযথ পরিচর্যা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। সেন্টমার্টিনকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই রাখতে সরকার, স্থানীয় জনগণ, বেসরকারি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

ইত্তেফাক/এএইচপি